সর্বশেষঃ

ভোলায় ভোলা সদর হাসপাতালে দালালের দৌরাত্ম্য নিয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ বাড়ছে নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড়

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে হাসপাতালের কর্মীদের আচরণ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল হাসপাতাল চত্বরে এক রোগীর স্বজন ও এক স্টাফের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের আচরণ নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও কার কতটা দায়, তা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন।

এদিকে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগীর স্বজন অভিযোগ করেছেন, হাসপাতালের কিছু কর্মীর কাছ থেকে বিভিন্ন সময় তাঁরা অসৌজন্যমূলক আচরণের মুখোমুখি হন। এতে চিকিৎসাসেবা নিতে এসে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

অন্যদিকে হাসপাতালকে ঘিরে দালালচক্রের তৎপরতা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে। ভোলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে দালালচক্র নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর হাসপাতাল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। ওই সময় কয়েকজনকে অর্থদণ্ডও করা হয়েছিল। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযানের পর কিছুটা কমলেও দালালদের তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

রোগী ও স্বজনদের কয়েকজনের অভিযোগ, হাসপাতালের ভেতরে ও আশপাশে কিছু ব্যক্তি রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা কিংবা অন্যান্য সেবার বিষয়ে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে নিয়মিত নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবাপ্রতিষ্ঠানে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কর্মীদের আচরণ এবং হাসপাতাল এলাকায় দালালদের তৎপরতা দুটিই গুরুত্বের সঙ্গে নজরদারিতে রাখা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ভোলার সিভিল সার্জন ও ভোলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা। অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে হাসপাতালের সেবার পরিবেশ আরও উন্নত হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

রোগী ও স্বজনদের প্রত্যাশা, চিকিৎসা নিতে এসে তাঁরা যেন হয়রানি বা অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার না হন এবং সরকারি হাসপাতালের সেবা নিতে কোনো মধ্যস্থতাকারীর ওপর নির্ভর করতে না হয়।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।