ভোলায় রেইজ প্রকল্পের শিক্ষানবিশদের সঙ্গে জিজেইউএস’র মতবিনিময় সভা
ভোলায় সরকারি কলেজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

ভোলার সরকারি কলেজে’র চারদিকে যেন উৎসবমুখর পরিবেশ। স্টলে স্টলে সারি সারি পিঠার মনোমুগ্ধকর প্রদর্শন। কেউ বানিয়েছেন নবাবি সেমাই, কেউ বানিয়েছেন হৃদয় হরন, কেউবা বাহারি গোলাপ, বউপিঠা, পুলি পিঠা ও চন্দ্র পুলিসহ নানা নামের ও রংয়ের মুখরোচক পিঠা। এমন বাহারি নামের পিঠার সমারোহ মিললো ভোলা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের ছায়াবিথী চত্বর জুড়ে। সেখানে পিঠা উৎসবে বসছে হরেক রকমের পিঠার মেলা। শিক্ষার্থীদের তৈরীকৃত এসব পিঠা দেখতে স্টলে স্টলে ভীড় নেমেছ দর্শনার্থীদের।
রোববার সকালে কলেজ প্রশাসনের আয়োজন ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভোলা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে পিঠা উৎসব। এতে কলেজের হিসাব বিজ্ঞান, ইতিহাস, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, মৃত্তিকা বিজ্ঞান, প্রানীবিদ্যা, গনিত ও বাংলাসহ ১৮টি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা স্টল নিয়ে পিঠা উৎসবে অংশগ্রহন করেন।
হিসাব বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী নুশরাত জাহান ঝুমু বলেন, আমাদের স্টলে ৫৬ আইটেমের পিঠা তৈরী করেছি, যার মধ্যে অনেকগুলো আকর্ষনীয় নামের পিঠা ছিলো, এ পিঠা তৈরীতে ডানা, শুভ, সন্তু ও রুপাসহ এক ঝাঁক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
রেডক্রিসেন্ট ভোলা কলেজ ইউনিটও অংশ নেয় পিঠা উৎসবে। এখানে তারা চিরনি, রেডক্রিসেন্ট পিঠা ও সিম্পুল নামের ২৫ আইটেমের পিঠা তৈরী করে। রাফিয়া, মুমাইয়া, তানিয়াসহ কলেজের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেয়। গনিত বিভাগে ৩২ আইটেমের পিঠা তৈরী করে শিক্ষার্থীরা। যার মধ্যে গামা, মুরালী, আলফা পিঠা, সিম্ফুল পিঠা, সামুক ও বিবিখানা পিঠাসহ ব্যাতিক্রমী নামের পিঠা তৈরী করে।
প্রতি বছরের মত এ বছরও বড় পরিসরে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে ভোলা কলেজ কর্তৃপক্ষ। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য নানা ধরনের মুখোরোচক এ পিঠা প্রদর্শনী করে পুরস্কার তুলে নিতেই বাহারি পিঠা তৈরী করে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করার চেস্টা করেন শিক্ষার্থীরা।
পিঠা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম জাকারিয়া। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোলা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পারভিন আখতার, অধ্যক্ষ দুলাল চন্দ্র ঘোষ, অধ্যক্ষ রুহুল আমিন জাহাঙ্গির, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ উল্ল্যাহ স্বপন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের মো. জামাল উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. এরশাদ, ভোলা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে সাবেক প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা বেগম চিনু প্রমুখ। উৎসবের উপস্থাপনা করেন রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মজিবুর রহমান।
