মানুষের ভালোবাসা আর বিশ্বাসের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী হাজী মোঃ জাকির হোসেন। অল্প সময়ের মধ্যে এত মানুষের উপস্থিতি, খণ্ড খণ্ড মিছিল আর ঢোলসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে মুখর হয়ে ওঠে সভাস্থল। ভোলা সদর উপজেলার ১১ নম্বর ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় এমন চিত্র দেখা গেছে।
সভাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে আসেন নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে সভাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে হাজী মোঃ জাকির হোসেন বলেন, তিনি একজন কৃষকের সন্তান। এই ইউনিয়নেই তাঁর বেড়ে ওঠা। এলাকার প্রতিটি মানুষকে তিনি খুব কাছ থেকে চেনেন এবং আপনজন মনে করেন। দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের গরিব ও মেহনতি মানুষের পাশে থেকে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করা এবং ইউনিয়নবাসীর সেবা করার লক্ষ্যেই চেয়ারম্যান হতে চান তিনি।
ছাত্ররাজনীতি থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হাজী মোঃ জাকির হোসেন বর্তমানে ভেদুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ভোলা জেলা বিএনপি ও তাঁর দল তাঁকে মূল্যায়ন করবে এবং ইউনিয়নের মানুষের সেবা করার সুযোগ দেবে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে নিজের এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। এত অল্প সময়ে সভায় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি তাঁকে অভিভূত করে। হাজী মোঃ জাকির হোসেন বলেন, মানুষ তাঁকে মনেপ্রাণে ভালোবাসেন। এই ভালোবাসা ও বিশ্বাসের ওপর ভর করেই তিনি নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
সভায় উপস্থিত হাজী মোঃ জাকির হোসেনের এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর জন্য ভোট ও সমর্থন কামনা করেন। তাঁকে নির্বাচিত করে ইউনিয়নবাসীর সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভেদুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ফজলুল হক ঘরামী। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সালাম মাস্টার সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভেদুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রচার সম্পাদক মোঃ রাসেল।
সভা শেষে তিনি মুরুব্বীদের কাছাকাছি গিয়ে খোঁজ-খবর নেন এবং কথা শোনেন এবং দোয়া চেয়েছেন
সম্পাদকঃ মো: হারুন অর রশীদ