চরফ্যাশন উপজেলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঘর তুলছে ভূমিদস্যুরা। নীরব ভূমিকা পালন করছে স্থানীয় থানার পুলিশ।
উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের চর নুরুল আমিন ৩নং ওয়ার্ডে নিজের জমি রক্ষা করতে গিয়ে ভূমিদস্যুদের হামলায় স্বামী-স্ত্রী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকার মোহাম্মদ আলী চর নুরুল আমিন মৌজায় ৬ শতাংশ জমির ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করে আসছিলো। কিছুদিন পূর্বে ওই জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পরে স্থানীয় ভূমিদস্যূ চক্রের মূল হোতা আওয়ামীলীগ সমর্থিত ফজলু, সোহাগ ও সবুজ গংদের।
বিগত দিনে এ চক্রের লোকেরা মোহাম্মদ আলীকে তার ভোগ দখলীয় জমি হতে উৎখাত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে। এমতবস্থায় মোহাম্মদ আলী আদালতে একটি মামলা করলে আদালত ওই জমির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেণ। গত ১৫/৬/২৬ ইং তারিখে আদালতের এ নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ১। মোঃ সোহাগ (২২), ২। মোঃ সবুজ (৪০), উভয় পিতা-মোঃ খলিলুর রহমান, ৩। মোঃ ফজলু (৩৫), পিতা-মৃতঃ আঃ রাজ্জাক, ৪। মোসাঃ রেশমা, (৩০) স্বামী-মোঃ ফজলু, ৫। মোসাঃ রানী বেগম (৩২), স্বামী-মোঃ সবুজ সহ এক দল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোহাম্মদ আলীর ভোগ দখলীয় জমিতে জোড় পূর্বক প্রবেশ করে ঘর উত্তোলন শুরু করে।
এ সময় মোহাম্মদ আলী বাধা দিতে এলে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা তাকে পিটিয়ে গুরুতর যখম করে এসময় তার ডাক চিৎকার শুনে স্ত্রী ছুটে এসে তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করলে সন্ত্রাসীরা তাকেও মারধর করে। পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে উল্লেখিত ভূমিদস্যুরা আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ঘর তোলার কাজ অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য এ ব্যাপারে মোহাম্মদ আলীর ছেলে জুয়েল বাদী হয়ে দুলারহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত কোন আসামিকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। অন্যদিকে ভুক্তভোগীরা আদালতের নিষেধাজ্ঞার নির্দেশের কাগজ দুলারহাট থানার ওসিকে প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত ঘর উত্তোলনের কাজ বন্ধ করেনি পুলিশ । তাই নিরুপায় হয়ে বিচারের দাবিতে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরে ঘুরে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলীর পরিবারের সদস্যরা।
এ ব্যাপারে জরুরী ভিত্তিতে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, ভুক্তভোগী পরিবার।
সম্পাদকঃ মো: হারুন অর রশীদ