স্টাফ রিপোর্টার ॥
শিবপুরের নির্মম হত্যাকান্ডে নিহত নাছিমা বেগমের ছেলেকে হাসপাতালে নেয়ার সময় জানালেন, আমি কোপ খেয়ে মরার মত ভান করেছিলাম, ওরা ভেবেছিল আমি মরে গেছি, তারপর ওরা চলে গেছে। জামাল মেম্বারের ছেলে আমার মাকে মেরে ফেলেছে।
শুক্রবার গভীর রাতে আমরা যখন খেয়ে শুয়ে পড়েছি, তখন আমাদের বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে ও ঢুকে পড়ে এবং আমার মাকে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি যখন কিছু বলতে চেয়েছি, তখন ও আমাকে ছুরি দিয়ে যখম করে। আমি তখন ভয়ে মরার ভান করে থাকি। মাকে হত্যা করে জামাল মেম্বারের ছেলে চলে যাওয়ার সময় মোবাইলের ফ্লাশ মারলে আমি ওকে দেখতে পাই। ভোরে আমি কান্না-কাটি করে ডাক-চিৎকার দিলে এলাকার লোকজন চলে এসে আমাকে উদ্ধার করে। জামাল মেম্বারের ছেলে একাই ছিল বলে দাবী আহত আবিরের।
উল্লেখ্য, শিবপুর ইউনিয়নের শরীফ সর্দার বাড়ীতে প্রবাসী আল-আমিনের স্ত্রী নাছিমা বেগমকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এসময় নাছিমার সন্তান আবিরও দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে আহত হয়। বর্তমানে সে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সম্পাদকঃ মো: হারুন অর রশীদ