মো: হারুন অর রশীদ ॥
ভোলায় যেন হ্যামিলনের সেই বংশিবাদক পা রাখল। মানুষের ঢল নেমে পড়ল রাস্তায়। নারী, শিশু, তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ-বনিতা সবাই যেন হুমরি খেয়ে পড়েছে বাঁশি ওয়ালাকে দেখার জন্য। কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ রিকশায়, কেউবা নসিমনে। ভোলাতে তাক লাগিয়ে দিল হ্যামিলনের সেই বংশিবাদক খ্যাত আন্দালিব রহমান পার্থ। তার বাঁশির সুরে সবাই যেন উদ্যেলিত হয়ে পড়েছিল। যেমনি এক সময় তার বাবা মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জু মিয়া ভোলায় আসলে মানুষ পাগল হয়ে যেত।
আন্দালিব রহমান পার্থ তার বাবারই উত্তরসুরী, কোন অংশে কম নন। তার আগমনের খবর শুনে সকাল থেকেই শহরের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ দলবেঁধে ছুটে আসতে থাকে। রাস্তার দু’পাশে ব্যানার, ফেস্টুন এবং কাঠের তৈরী ‘গরুর গাড়ী’ প্রতিকের প্লাকার্ড নিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। কখন আসবে তাদের প্রিয় নেতা। পুরো ভোলা শহর লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে। সবার মুখে একটাই শ্লোগান ‘পার্থ ভাইয়ের গরুর গাড়ী’। তবে বেশি লক্ষ করা গেছে তারুণ্যের উচ্ছাস।
অনেকেই জড়ো হয় ভোলা খেয়াঘাট চত্বরে। হাজার হাজার নেতা-কর্মী আর সমর্থকরা ফুলের মালা আল ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করে। গরুর গাড়ী মার্কার শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে খেয়াঘাট চত্বর। যাত্রা শুরু হয় শহরের উদ্দেশ্যে। রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে আন্দালিব রহমান পার্থ নতুন বাজারের দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৌঁছান। খেয়াঘাট থেকে নতুন বাজার আসতে দীর্ঘ সময় পার করতে হয় তাকে। পথে পথে ফুল ছিটিয়ে, হাত নেড়ে তাকে অভ্যার্থনা জানানো হয়। রাস্তার পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর মধ্যে কোন ক্লান্তি চোখে পড়েনি। সবার চোখে-মুখে ছিল আনন্দ আর বাঁধভাঙ্গা উচ্ছাস।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী উৎসবমুখর পরিবেশে বিএনপি জোটের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থকে গরুর গাড়ী মার্কায় ভোট প্রদানের মাধ্যমে জয়ী করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে জোটের সবাই মিলে মিশে কাজ করবে বলে আশা সাধারণ মানুষের। তাদের ভালোবাসা ও উচ্ছাসের প্রতিদান হয়তো সবাইকে দেয়া সম্ভব নয়। তবুও তাদের আশা একটা সুন্দর ভোলা হোক, চাঁদাবাজ মুক্ত ভোলা হোক, দুর্নীতিমুক্ত ভোলা হোক, টেন্ডারবাজী ম্ক্তু ভোলা হোক এমন প্রত্যাশা সবার। হ্যামিলনের বংশিবাদক খ্যাত আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলাকে নতুন রূপে সাজিয়ে একটা আধুনিক ভোলা উপহার দিবে এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অন্তরে মনি কোঠায় বেঁচে থাকুক অমলিন।
সম্পাদকঃ মো: হারুন অর রশীদ