শাহীন কাদের (বিশেষ প্রতিনিধি) : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী আলতাফ হোসেন মন্টু কে আটকের পর মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। ময়মনসিংহ এর সন্তান মিন্টু অভাব অনটনের তেমন একটা পড়াশোনা করতে পারেন নি। তিনি বয়স বেড়ে উঠার পরপরই ঢাকা উত্তরা আজিমপুর চালাবন এরিয়ায় তার বসবাস। এখানে তিনি ছোটখাটো ব্যবসা করেন শৈশব থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতিতে একনিষ্ঠ কর্মী।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সকল প্রোগ্রামে পদ পদবীয় নেতাকর্মীদের কম দেখা গেলেও মন্টুকে দেখা যায় স্লোগানের মুখরিত কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছাকাছি অসংখ্য প্রিন্ট এবং ইলেকট্রিক মিডিয়ায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে মন্টু কে দেখা যায়।
মন্টু ছাত্র এবং যুব রাজনীতি শেষ করে এখন বিমানবন্দর থানা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।
উল্লেখ্য গত কাল বিএনপির কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচিতে দাবি ছিল
‘অবৈধ ডামি নির্বাচন’ বাতিল ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাজধানীতে কালো পতাকা মিছিল করার কর্মসূচি ছিল দলটির।
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ঘোষণা ছিল তারা শাহজাদপুরে, উত্তরা ১২ নম্বর এবং মিরপুর ৬ নম্বর সেকশন মসজিদের সামনে মিছিল করবে।
এর মধ্যে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর এলাকায় নেতা–কর্মীরা জড়ো হতে চাইলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। সেখান থেকে কয়েকজন নেতাকে আটক করার অভিযোগ করেছে বিএনপি।
সেখানে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খানকে আটকের পর ছেড়ে দেয় পুলিশ। এ বিষয়ে পুলিশের উত্তরা পশ্চিমের এডিসি সালাহউদ্দিন বলেন, ‘তারা (বিএনপি) সমাবেশের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এটা ছিল অনুমোদনহীন। তারা দরখাস্ত করেছিল, কিন্তু আইনশৃঙ্খলার কথা বিবেচনা করে এটা অনুমোদন করা হয়নি। যে কারণে আমরা ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছি। ৮ থেকে ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।’
মুক্তি পাবার পর মন্টু বলেন আমি চলে যেতে পারতাম মঈন খান স্যার একা ছিল তাই আমি স্যারকে ছেড়ে যায়নি।
বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে আমি অনেকবার পুলিশের হাতে আটক হয়েছি তবুও আমি সকল প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করি।
রাজনীতি করতে গিয়ে পরিবারের মাঝেমধ্যে বিতর্ক হয় সকল কিছু উপেক্ষা করে
তারেক রহমান যে নির্দেশ দিবে আমি যতটুকু সম্ভব আমি সকল নির্দেশ পালন করার চেষ্টা করব।
সম্পাদকঃ মো: হারুন অর রশীদ