ডেস্ক রিপোর্ট ॥ পাঁচ বছর আগে মামার কাছ থেকে শখের বশে দেশীয় প্রজাতির ৩ জোড়া কবুতর নিয়ে পালতে শুরু করেন ভোলার লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউপির পাঙ্গাশিয়া গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে মো. রাব্বি। শখ থেকে শুরু করা সেই কবুতরই এখন হয়ে উঠেছে রাব্বির আয়ের অন্যতম উৎস। ৩ জোড়া কবুতর থেকে এখন হয়েছে পঞ্চাশ জোড়া।
কলেজ ছাত্র রাব্বি বলেন, কবুতর পালনের ব্যয় বাদে বর্তমানে আমার মাসে আয় হচ্ছে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা। বর্তমানে ভোলা সরকারি কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়ন করছি। যা দিয়ে সেখানের পড়ালেখার খরচ চালাচ্ছি। মাঝে মধ্যে আবার পরিবারকে এ আয় থেকে সহযোগিতা করি।
রাব্বির বাবা মো. ফারুক মিয়া জানান, শখ করে ছেলে কয়েক বছর আগে ৩ জোড়া কবুতর পালতে আনে। এখন সেই কবুতর দিয়েই আয় করছে রাব্বি। নিজের পড়ালেখার খরচ নিজেই চালাচ্ছে সে। রাব্বি তার নিজের কর্মসংস্থান নিজেই সৃষ্টি করায় আমরা অত্যন্ত খুশি।
অন্যদিকে, কলেজ ছাত্র রাব্বিকে দেখে কবুতর পালনে আগ্রহী হয়েছেন উপজেলার পাঙ্গাশিয়া গ্রামের অনেক শিক্ষার্থী। মো. নোমান নামের একজন জানান, রাব্বি কবুতর পালন করে ভালোভাবে চলতে পারছে। পরিবারের কাছ থেকে তাকে টাকা নিয়ে চলতে হয় না। নিজের টাকা নিজেই উর্পাজন করছে রাব্বি। তাই এরই মধ্যে কবুতর পালন শুরু করেছি। আশা করছি এতে স্বাবলম্বী হতে পারবো।
লালমোহন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নাসির উদ্দিন মুন্সী বলেন, বেকার তরুণ বা ছাত্রদের কবুতর পালনের মাধ্যমে বাড়তি আয়ের সুযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে তারা পরিবারকেও সহযোগিতা করতে পারবে। কেউ যদি এ কাজে আগ্রহী হয় তাহলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে তাদেরকে সব ধরণের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
সম্পাদকঃ মো: হারুন অর রশীদ