ভোলার দৌলতখান উপজেলার বিচ্ছিন্ন মদনপুর চরে দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে একমাত্র সাইয়্যেদা খাতুন নুরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা। চারপাশে নদী মাঝখানে একটি ইউনিয়ন যার নাম মদনপুর। প্রায় ১২ হাজার লোকের বসবাস। ওই ইউনিয়নে মাত্র একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিচ্ছিন্ন চরে কোন মাদ্রাসা নাই সরকারী বা বেসরকারি। চরের বসবাসকারী মানুষরা তাদের ছেলেমেয়েদের বঞ্চিত করছেন দ্বীনি শিক্ষা থেকে। আগ্রহ থাকলেও অভাবের সংসারে দুরে কোথাও দ্বীনি শিক্ষা দিতে পারেন না অভিভাবকরা।
চরবাসীদের এমন অবস্থায় এগিয়ে এসেছেন মাইন উদ্দিন নামের একজন শিক্ষিত যুবক। ৪ জন সহকর্মী নিয়ে ২০১৫ সালে বশির আহমেদ এর অনুদানে তার মায়ের নামে মদনপুরের চরটগবী এলাকায় সাইয়্যেদা খাতুন নুরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা নামে একটি দ্বীনি শিক্ষার প্রতিষ্ঠান চালু করেন। যে প্রতিষ্ঠানই আজ দ্বীনি শিক্ষার আলো চড়াচ্ছে পুরো মদনপুরে। প্লে থেকে ৪র্থ শ্রেণী পর্যন্ত বর্তমানে প্রায় ২শ এর অধিক শিক্ষার্থী রয়েছে ওই প্রতিষ্ঠানে।
সরজমিন ভোলার বিচ্ছিন্ন মদনপুর ঘুরে একটি মাত্র মাদ্রাসাই নজরে পড়ে এই প্রতিবেদকের। মাদ্রাসার ভিতরে প্রবেশ করে দেখা যায় কোমলমতি শিশুদের দ্বীনি শিক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষকরা। কি চমৎকার ভাবে আরবি হরফ আলিফ, বা, তা, শিখাচ্ছেন শিক্ষকরা।
মদনপুর পাটোয়ারী বাজার সংলগ্ম সাইয়্যেদা খাতুন নুরানি ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ রহমান বলেন, সরকারী অনুদান ছাড়াই আমরা এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি ইনশাআল্লাহ দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের দ্বীনি প্রতিষ্ঠান।
প্রধান শিক্ষক মাইন উদ্দিন বলেন, ২০১৫ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি, চরাঞ্চলের শিশুদের দ্বীনি শিক্ষা দিবো এই আশা নিয়ে আজ মনে হয় আমরা সফল। তবে সরকারী কোন অনুদান পেলে আরো ভালো কিছু করতে পারবো আমরা।
সম্পাদকঃ মো: হারুন অর রশীদ