নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ভোলায় আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
লালমোহন-তজুমুদ্দিনে কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করতে দেয়া হবে না : মেজর হাফিজ

লালমোহন প্রতিনিধি ॥
ভোলা-৩ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণ অভ্যুত্থানে দেড় হাজার মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য বাহিনী। লালমোহনের মানুষকেও ঢাকার রাজপথে হত্যা করা হয়েছিল। সেখানে লালমোহনের ১২ জন ছিলো। এই ১২জনের কেউ ছাত্র ছিলো না। সবাই শ্রমিক, রিক্সাচলাক, ভ্যান চালক ও বিভিন্ন পেশার লোক ছিলো। এভাবে একটা গুপ্ত সরকারের কবলে ছিলাম আমরা ১৬ বছর। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে কোন ধরনের মাদক থাকবে না। অন্যায় অবিচার দুর্নীতি থাকবে না। আমরা সবাই মিলে সুখী গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোলার লালমোহন উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের দ্বীপশিখা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ আরো বলেন, আমাদেরকে জামায়াতে ইসলামী হতে ইসলাম শিখতে হবে না। দাড়িপাল্লা ভোট দিলে বেহেশতে যাবেন এটা ইসলামের কোথাও নাই। শেখ হাসিনার যারা বিরোধিতা করেছে তাদের আয়না ঘরে ঢুকিয়ে নির্যাতন করেছে। লালমোহন-তজুমুদ্দিনে কাউকে কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করতে দেয়া হবে না। গত ১৭ বছর আপনারা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন নাই। ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে আমাকে পুলিশ দিয়ে আমার বাসা ঘিরে রেখে আগের রাতে আ.লীগ ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স ভরে রেখেছে।
চরভূতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইলিয়াছ কালাম সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে ধানের শীষে প্রতীকে বাবার জন্য ভোট চান হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কন্যা শ্যামামা শাহরিন হাফিজ টিয়া। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুলসহ ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীগণ।
