লালমোহনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত বিডিপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ॥ আহত-৩০
পথে-প্রান্তরে ছুটছেন জামায়াত প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা

ইয়ামিন হোসেন ॥
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দ্বীপজেলা ভোলার ৪টি সংসদীয় আসনের গুরুত্বপূর্ণ ভোলা সদর-১ আসন। ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে প্রাথমিকভাবে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছে গোলাম নবী আলমগীর। যদিও আসনটি শেষ পর্যন্ত দলের সিদ্ধান্তে ছেড়ে দিতে হচ্ছে বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থকে। ২০০৮ সালে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে এ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন আন্দালিব রহমান পার্থ। তবে এবার বিএনপির জোটে থাকলেও ভোট করবেন তার দলের প্রতীকে। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণায় পার্থ ভোলা সদর আসনে এখনো না নামলেও তার দলের নেতা-কর্মীরা চালিয়ে যাচ্ছে গরুর গাড়ী মার্কার প্রচারণা। তবে সশরীরে না থাকলেও নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিচ্ছেন আন্দালিব রহমান পার্থ।
এদিকে বিএনপি ও বিজেপির পাশাপাশি ভোট চেয়ে পথে-প্রান্তরে ছুটে চলছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নজরুল ইসলাম ও তার কর্মী-সমর্থকরা। ভোলা সদর উপজেলার এমন কোন পাড়া-মহল্লা নেই যেখানে জামাতে ইসলামীর পক্ষে দাঁড়ির পাল্লার দাওয়াত পৌঁছেনি। ফজরের নামাজের পরই জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা দাঁড়ির পাল্লার দাওয়াত নিয়ে ছুটে যান ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।
অন্যদিকে এমপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম একেক ওয়াক্ত নামাজ একেক মসজিদে পড়েন এবং মানুষের কাছে দাঁড়ির পাল্লার ভোট চান। নির্বাচনী আচরণ মেনে ছোট পরিসরে সভা-সমাবেশ করে যাচ্ছেন তিনি। নজরুল ইসলাম এমপি নির্বাচিত হলে ভোলা-বরিশাল সেতু, ভোলার স্বাস্থ্য সেবা উন্নতি করণসহ নানান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন।

জামায়াতে ইসলামীর সদর উপজেলার সিনিয়র এক নেতা বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা একেকজন নজরুল হয়ে নির্বাচন করে। আমাদের কোন গ্রুপিং নেই। আমরা সবাই নিজেকে প্রার্থী মনে করে দাঁড়ির পাল্লার পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। দ্বীন ও ইসলাম প্রতিষ্ঠা এবং ভোলার উন্নয়নের স্বার্থে ভোলার মানুষ দাঁড়ির পাল্লায় ভোট দিবে বলে নজরুল ইসলামের প্রত্যাশা।
