ভোলায় দারিদ্র্য হ্রাস ও নারী ক্ষমতায়নে মাইক্রোক্রেডিটের প্রভাব নিয়ে এফজিডি সভা
ভোলায় জমি বিরোধে ৬ মাসের শিশুকে পানিতে ছুঁড়লো প্রতিপক্ষ !

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সম্পত্তির লোভে আপন মরহুম ভাইয়ের পরিবার কে প্রতিনিয়ত মামলা-নির্যাতন করে আসার অভিযোগ উঠেছে ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের তছির মিয়া নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পশ্চিম ইলিশা ১নং ওয়ার্ডের রৌদ্রেরহাট বাজার সংলগ্ম কোহিনূর বেগম ১০ বছর পূর্বে স্বামী ছগির আহমেদ কে হারিয়ে তিন সন্তান কে বুকে নিয়ে খেয়ে না খেয়ে ছিলেন স্বামীর ভিটেমাটিতে। সে ভিটেমাটি থেকে উৎখাত করতে নতুন মিশনে নেমেছেন কোহিনূর বেগমের আপন বাসুর তছির মিয়া ও তার জামাতা। প্রতিনিয়ত কোহিনূর বেগমকে নানানভাবে হয়রানি করে আসছে তছির মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা। তারই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার সুপারি পারা কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে তছির মিয়া ভোলা থানায় একটি মামলা করে ঘরছাড়া করেছে কোহিনূর ও তার মেয়ে, ছেলে ও ছেলের সহধর্মিণীকে। কোহিনুর বেগম এর পুত্রবধূ মরিয়ম বলেন, গতকাল পুলিশের দারোগা নাইম আমাদের বাড়ীতে গিয়ে আমাকে নিয়ে আসতে চায়। পরবর্তীতে এলাকার এক লোক আমার কোলে শিশু তাই বুঝিয়ে শুনিয়ে রেখেছে। পুলিশ আসার পরই তছির মিয়া ও তার জামাই পন্ডিত এসে আমাকে মারধর করে। আমার শাশুড়ী কে মারধর করে এবং আমার ৬ মাসের শিশু রবিউলকে পানিতে পেলে দিয়েছে। পরে আমার এক আত্মীয় চিৎকার দিয়ে পানি থেকে উঠিয়েছে। আমার ছেলেটার নাক মুখ দিয়ে রক্ত উঠেছে।
কোহিনূর বেগম বলেন, পাষ-রা আমার দুধের নাতি কে ও ছাড় দেয়নি। আমার মাথার চুলগুলো উঠিয়ে পেলেছে। এখন উল্টা মামলা দিয়ে আমাদের ঘরছাড়া করেছে। আমার টাকা পয়সা না থাকার আমার পক্ষে আইন আদালত কিছুই নাই। কোহিনুর বেগম তার এবং সন্তানদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তছিরের অত্যাচার থেকে মুক্তির জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত তছির বেপারী বলেন, আমি থানায় মামলা করেছি। পুলিশ স্যারেরা দেখতেছে। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কমকর্তা উপ-পরিদর্শক মোঃ নাইম বলেন, মামলা এজাহার হয়েছে মামলা নং-৩৪। মামলাটি তদন্ত চলছে। কেউ নিরপরাধ হলে মামলা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে।
