ভোলায় জিংক ধান চাষ ও খাওয়ার উপর গুরুত্বারোপ : কর্মশালয় বক্তারা

মোকাম্মেল হক মিলন ॥ বায়োফটিফাইড ধান সংগ্রহ এবং সামাজিক সুরক্ষায় জলবায়ু বান্ধব মসুর ডাল ও চালের ভূমিকা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তরের আয়োজন এবং গেইন বাংলাদেশের সহযোগিতায় সোমবার (২৪ জুন) সকালে উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ হাসান ওয়ারিসুল কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আজম শরীফ, কৃষি গবেষণা কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হুদা, জেলা খাদ্য কর্মকর্তা সন্দ্বীপ চন্দ্র দাস, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মালেক।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দৌলত খান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেজোওয়ানা ছিদ্দিক, দৌলতখান খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা শুভাষ চন্দ্র, কারাগারের জেলার মোঃ আরিফুর রহমান, খাদ্য বিভাগের পরিদর্শক রাহাত সোহাগ, ধান ঢাউল আরৎদার সমিতির সভাপতি মোঃ ফয়সাল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন, ভোলা অটোমেটিক রাইস মিল মালিক মোঃ আলমগীর হোসেন আলমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া কর্মশালায় কৃষি কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিন, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষক, অটোমেটিক রাইস মিল মালিক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এবং খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। কর্মশালায় জিংক ধান চাষ করার ও খাওয়ার উপকারিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। বক্তারা বলেন, খাদ্য পুষ্টি উপাদান হিসেবে জিংক ধান ও মসুর ডাল শরীরের অনেক উপকার করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। তারা আরো বলেন, বাজারে যে সমস্ত চাল বাজারজাত করণ হচ্ছে সেই সমস্ত চালের বস্তায় জিংক বা পুষ্টিগুন সম্পর্কে স্পষ্টভাবে লোগো এবং বিস্তারিত তুলে ধরার আহ্বান জানান।
