সর্বশেষঃ

নবনির্বাচিত এমপিদের প্রায় “৯০ শতাংশই” কোটিপতি : সুজন

ডেস্ক রিপোর্ট ॥ একাদশ জাতীয় সংসদের তুলনায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদে কোটিপতি সংসদ সদস্যের সংখ্যা বেড়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের প্রায় ৮৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ বা ২৬৯ জন কোটিপতি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ হার ছিল ৮২ দশমিক ৩৩ শতাংশ বা ২৪৭ জন। আগের সংসদের তুলনায় কোটিপতি সংসদ সদস্য বেড়েছে ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ। মঙ্গলবার সকালে ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের তথ্য উপস্থাপন ও সুজনের পর্যবেক্ষণ’ বিষয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্য জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। সদ্য বিজয়ী সংসদ সদস্যদের হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার এই পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায় যে জাতীয় সংসদে অধিক সম্পদের অধিকারীদের অংশগ্রহণ ক্রমশ বাড়ছে। আবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৩৬ দশমিক ৪৫ শতাংশ কোটিপতি, এর মধ্যে নির্বাচিত হওয়ার হার ৮৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
অন্যদিকে ২৫ লাখ টাকার কম সম্পদ থাকা ৪৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, যেখানে নির্বাচিত হওয়ার হার ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ- অর্থাৎ স্বল্প সম্পদশালী প্রার্থীদের নির্বাচিত হওয়ার হার যথেষ্ট কম এবং অধিক সম্পদের মালিকদের নির্বাচিত হওয়ার হার অনেক বেশি।
তথ্য বিশ্লেষণে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত ২১২ জনের বা ৯৫ দশমিক ০৬ শতাংশ সংসদ সদস্যের সম্পদ কোটি টাকার ওপরে। জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত এমন সংসদ সদস্য ১০ জন বা ৯০ দশমিক ৯১ শতাংশ। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে এমন নির্বাচিত সংসদ সদস্য শতভাগ বা ৩ জন। স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে কোটিপতি ৪৪ জন বা ৭৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৫ লাখ টাকার কম সম্পদের মালিক রয়েছেন ৯ জন বা ৩ দশকি ০১ শতাংশ। এ ছাড়া নবনির্বাচিত ২ জন সংসদ সদস্য তাদের অর্থের পরিমাণ নির্ধারিত ফরমে উল্লেখ করেননি।
সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা থেকে এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এই হলফনামার তথ্য যাচাই-বাছাই করে না। হলফনামার ক্ষেত্রে তথ্য গোপন ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য থাকে। যে উদ্দেশ্যে আদালত প্রার্থীদের হলফনামায় তথ্য দিতে বাধ্যতামূলক করেছিলেন, তার উদ্দেশ্য পূরণ হচ্ছে না।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।