ভোলায় দুই দিন ব্যাপী পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ভোলার বাণী রিপোর্ট ॥ ভোলায় পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু বিষয়ক প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুস্টিত হয়েছে। শনিবার (১৫ জুলাই) গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার হলরুমে গণমাধ্যম ও উন্নয়ন যোগাযোগ সংগঠন ”সমষ্টি” এর আয়োজনে ভোলা জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে দুই দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন সমষ্টি এর পরিচালক ও চ্যানেল আই এর সিনিয়র নিউজ এডিটর মীর মাসরুর জামান, সমষ্টি এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার মুনাব্বির আহমদ, জিএইচএআই এর ম্যানেজার সরোয়ার এ আলম, সমষ্টির রেজাউল হক।
প্রশিক্ষণে দৈনিক ইত্তেফাক ও এটিএন বাংলা জেলা প্রতিনিধি আহাদ চৌধুরী তুহিন, শাহানামা ও সংবাদ ভোলা প্রতিনিধি মোকাম্মেল হক মিলন, কালবেলা জেলা প্রতিনিধি ওমর ফারুক, প্রথম আলো জেলা প্রতিনিধি নেয়াম উল্যাহ, চ্যানেল আই জেলা প্রতিনিধি হারুন অর রশিদ, দৈনিক ভোলার বাণী’র সম্পাদক মোঃ মাকসুদুর রহমান, দৈনিক দিনকাল ভোলা জেলা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, দৈনিক ভোরের কাগজ জেলা প্রতিনিধি এইচ এম নাহিদ, দ্বীপকন্ঠ সম্পাদক ইউনুছ শরীফ, দৈনিক আমাদের নতুন সময় জেলা প্রতিনিধি মশিউর রহমান পিংকু, একুশে টিভি জেলা প্রতিনিধি মেজবাহ উদ্দিন শিপু, চ্যানেল ২৪ এর জেলা প্রতিনিধি আদিল হোসেন তপু, বনিক বার্তা জেল প্রতিনিধি এইচএম জাকির, দৈনিক ভোলা টাইমস সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজিব, ভোলা জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি তুহিন খন্দকার, দৈনিক আজকের ভোলার সহযোগী সম্পাদক এম শাহরিয়ার জিলন, আনন্দ টিভি জেলা প্রতিনিধি এম রহমান রুবেল, এখন টিভি জেলা প্রতিনিধি ইমতিয়াজুর রহমান, দৈনিক গণমুক্তি জেলা প্রতিনিধি হোসাইন রুবেল, দৈনিক প্রভাতের জেলা প্রতিনিধি আশরাফুল হোসেন ঈমন, শিমা বেগম, শিলা বেগমসহ ভোলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বক্তারা বলেন, পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হারে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে অন্যতম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী প্রতিবছর এখানে প্রায় ১২ হাজার শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। শিশু মৃত্যু প্রতিরোধে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। যদিও পানিতে ডুবে মৃত্যুর সবগুলো ঘটনার তথ্য গণমাধ্যম পায়না। এ নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে কোনো কার্যকর তথ্য ব্যবস্থা এখনো গড়ে উঠেনি। আবার গণমাধ্যম প্রতিবেদনগুলো শুধুমাত্র ঘটনাকেন্দ্রীক। এ নিয়ে গভীরতাধর্মী প্রতিবেদনের অভাব রয়েছে। গভীরতাধর্মী প্রতিবেদনে গণমাধ্যমগুলো গুরুত্ব দিলে বিষয়টি নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্ব পাবে এবং এ নিয়ে জাতীয় কর্মসূচী গ্রহণের বিষয়টিকে তরান্বিত করবে।
