প্রস্তুত ৭৪৬টি আশ্রয় কেন্দ্র

ভোলায় ঘূর্ণিঝড় “মোখা” মোকাবেলায় ৩ স্তরের প্রস্তুতি

স্টাফ রিপোর্টার : ঘূর্নিঝড় ‘মোখা’ মোকাবলোয়  প্রস্তুতি সভা করছে ভোলা জেলো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকরে  সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠি হয়। সভায় মোখা মোকাবেলায় ৩ স্তরের প্রস্তুতি  নেওয়া  হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক প্রশাসক তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী। তিনি বলেন,ঝড়ের পূর্ব, দুর্যোগ কালিন সময় এবং দুর্যোগের পরবর্তি  এ ৩ দাপের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

সভায় জানানো হয়, উপকূলে ৭৪৬ টি আশ্রয় কেন্দ্র  প্রস্তুত রাখা হয়েছে সেখানে ধারন ক্ষমতা  ১০ লাখেরর অধিক মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। ৭ টি উপজেলা আশ্রয় কেন্দ্র গুলোকে প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। দুর্যোগের পূর্বাভাসআসা মাত্রই উপকূলে ঝুকিঁপূর্ন মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার নির্দেম দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া খোলা ৮টি কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি সিপিপি ও রেড ক্রিসেন্ট এর ১৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবক  প্রস্তুত  রাখা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে ৯২ টি মেডিকেল টিম। দুর্যোগ মোকাবেলায়  জেলায় ৩৫০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মুজুদ রাখা হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী জরুরি ত্রান বাবদ ৮ লাখ টাকা  বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়াও ১৬৪ বান্ডিল ঢেউটিন,শুকনো খাবার রাখা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসক কার্যলয়ে  একটি জরুরি সাড়া প্রদান কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা ৮০ % পারশেন ফসল ইতিমধ্যে কর্তনা করা হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ জানান।

সভায়  ভোলা  পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসানুজ্জামান জানান, জেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৪৪ কিমি. বাধঁ রয়েছে। এই বাধঁ গুলো বর্তমান  ভালো অবস্থানে আছে। তবে মনপুরাতে কিছু  ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ ছিলো। সেগুলো গুলো  ইতিমধ্যে সংস্কার করা হয়েছে। যেই পয়েন্ট গুলো ঝুঁকিপূর্ন ছিলো সেগুলোকে ইতিমধ্যে জিও ব্যাগ  ফিল্টার এর মাধ্যমে মেরামত কাজ চলমান আছে।  আমাদের বেড়িঁবাধ অনেক উচু রয়েছে। আশাকরি পানি ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেনা বলে জানান।

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম,কোস্ট গার্ডের অপারেশন অফিসার ল্যা.মেহেদী হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম সহ জেলা প্রসাশনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন।

এ সময় সিপিপি, রেডক্রিসেন্ট, পানি উন্নয়ন বোর্ড, পুলিশ,কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। সভায় জানমালের নিরাপত্তা এবং ক্ষতি কমিয়ে আনার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়ার কথা জানান জেলা প্রশাসক। এদিকে ভোলা মেঘনা নদীর পানি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলার গুলো ইতিমধ্যে আসতে শুরু করেছে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।