ভোলার শিবপুর শান্তির হাট বাজারে দিন-দুপুরে দোকান লুট-ভাঙ্গচুর

এম রহমান রুবেল ॥ ভোলার শিবপুর শান্তির হাট বাজারে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দিন দুপুরে প্রকাশ্য মনির স্টোর নামের কসমেটিকস দোকানের মালামাল লুট পাট ও দোকানে থাকা নগদ আনুমানিক ২ লাখ টাকা সহ ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার ৪ তারিখ সকালে ভোলার শান্তির হাট বাজারে। এই ঘটনায় মনির স্টোরের মালিক মনির বাদি হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় একটি চাঁদাবাজি ও লুট মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-৭/১৬৭। উক্ত ঘটনায় হাবিব, মফিজ, সিরাজ, ওমর সহ অজ্ঞাত ১০ থেকে ১২ জনের নামে ভোলা থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
অভিযোগকারি মামলার বাদি মনির জানান, আমি এই দোকানটি দীর্ঘ ৭ বছর আগে হাবিব এর চাচা কুট্টির কাছ থেকে কিনেছি। দীর্ঘ বছর দোকানটি দখলে থাকলে ঈদের পূর্বে যখন দোকান মেরামতের কাজ শুরু করেছি তখনি একটি কু-চক্রি মহলের ষড়যন্ত্রে হাবিব এর নেতৃত্বে মফিজ, সিরাজ, ওমরসহ সন্ত্রাসী ভূমিদস্যু, জমি দখলবাজরা লাঠি সোডা ও দাড়ালো অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে দোকানে হামলা করে আমার দোকান ভাঙ্গচুর কওে এবং দোকানে থাকা সকল মালামাল ও নগদ দুই লাখ টাকা প্রকাশ্য নিয়ে যায়। সন্ত্রাসী হাবিব গংরা জামিনে বের হয়ে আবার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করবে বলে বাজারে মহড়া দিচ্ছে তাই আমি প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।
অভিযুক্ত হাবিব জানান, দোকান ভাঙ্গচুর করেছি, মালামাল নিয়েছি; আবার সেগুলো দিয়ে দিছি কিন্তু টাকা আমরা নেই নাই। জমি দাবি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ইউনিয়ন পরিষদে একটি মামলা দিয়েছি জমি পাব বলে, চেয়ারম্যান নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যে যে-ই অবস্থায় আছে সে সেই অবস্থায় থাকার জন্য। কিন্তু মনির কথা না মেনে দোকান ঘর পার্কা করে উত্তোলন করায় আমরা বাঁধা দেই।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ৩নং ওয়ার্ডের কামাল মেম্বার কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং বলেন, আমরা দুই পক্ষকে বলেছি সমাধান করে দিব চেয়ারম্যান সহ বাজার কমিটি লোাজন মিলে। কিন্তু মনির মানলেও মানতে রাজি হন নাই হাবিব গংরা। ভোলা সদর মডেল থানায় কর্মরত মামলার আয়ু এসআই রুবেল জানান, হামলার খবর শুনে ঘটনাস্থলে গেলে সত্যতা পাই। ঘটনার সত্যতা পেলে তদন্ত করে আসামীদেরর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করি এবং আসামীদের ধরে থানায় সোপর্দ করি। সেখান থেকে আদালতে প্রেরন করলে আসামিরা মামলায় জামিন বের হয়।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।