লালমোহনের চরের শিশুরা ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল থেকে বঞ্চিত

লালমোহন প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহনের বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের শিশুরা নির্দিষ্ট সময়ের ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও পায়নি ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল। শুক্রবার এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন চর কচুয়াখালী ও চর শাহজালালের কোনো শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়নি। এর আগে গত সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারী) সারাদেশে এক যোগে শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে নির্দিষ্ট ওই সময়ের ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও লালমোহনের চরাঞ্চলের শিশুরা বঞ্চিত রয়েছে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল থেকে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, বিচ্ছিন্ন চর কচুয়াখালী ও চর শাহজালালে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ার উপযোগী শিশু রয়েছে ২৭০ জন। এদের মধ্যে এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশু ২২৫ জন এবং ছয় মাস থেকে এগারো মাস বয়সী শিশু রয়েছে ৪৫ জন।

চর কচুয়াখালী ও চর শাহজালালের বাসিন্দা মো. নাসিম, হেজু, ইলিয়াস ও আক্তার হোসেন জানান, আমাদের চরের বাসিন্দারা এমনেতেই বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত। যাতে করে এখানের মানুষদের রোগ-বালাই লেগেই থাকে। এছাড়া বছরে একবার শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। সেই একদিনও নির্দিষ্ট সময়ে এ চরে স্বাস্থ্য বিভাগের কেউ আসে না। এবছর এখনও আমাদের শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়নি। তাই সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ; আমাদের কোমলমতি শিশুদের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে এখানে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

এব্যাপারে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, লোকবল কম থাকার কারণে সারাদেশের সঙ্গে এক যোগে বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো সম্ভব হয়নি। তবে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে চরের শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।