লালমোহনে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-৪, স্বর্ণালংকার লুট

ভোলার লালমোহনে প্রতিপক্ষের হামলায় চারজন আহত হয়েছেন। এসময় ৮/১০ আনা ওজনের ২টি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায় প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ব্যাপারে লালমোহন থানায় মামলা দায়ের করেন ভূক্তভোগী বিশ^নাথ চন্দ্র শীল।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, লালমোহন পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে মুন্সির হাওলা মৌজায় জে এল ১৮ তে ৬০ শতাংশ জমি ওয়ারিশ সূত্রে দীর্ঘদিন যাবত ভোগ দখল করে আসছে বিশ^নাথ চন্দ্র শীলের পরিবার। প্রতিপক্ষ আব্বাস উদ্দিন সেন্টুগংরা উক্ত জমির কিছু অংশ জোর পূর্বক দখল করে রেখেছে। আব্বাস উদ্দিন সেন্টু গংরা প্রায় সময়ই বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করে আসছে বিশ^নাথ চন্দ্রশীলদের। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টায় বিশ^নাথ চন্দ্র শীলের ভাই গৌতম চন্দ্র শীলের বাড়িতে অতর্কিতভাবে হামলা চালায় প্রতিপক্ষ আব্বাস উদ্দিন সেন্টু, সেলিম হাওলাদার, জহিরুল ইসলাম তুহিন, ছিদ্দিক বাঘা, বাদল চন্দ্র শীল, মর্জিনা বেগম, তাসলিমা বেগমরা।

এতে উত্তম চন্দ্র শীল, শ্যামলী রানী, প্রার্থণা রানী শীল, ফাল্গুণী চন্দ্র শীল, গৌমত চন্দ্র শীল গুরুতর আহত হন এবং শ্যামলী রানী গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের, প্রার্থণা রানী শীলের গলায় থাকা ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। তাদের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আসলে তারা চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি করে। এর মধ্যে প্রার্থণা রানী শীলের অবস্থা গুরুতর হলে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এ ব্যাপারে বিশ^নাথ চন্দ্রশীল বাদী হয়ে লালমোহন থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ১৬, তারিখ- ১৭/০৯/২০২২ ইং।
এ ব্যাপারে লালমোহন থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার পর আসামী আব্বাস উদ্দিন সেন্টুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।