সর্বশেষঃ

চেক প্রতারণা মামলায় সাতক্ষীরার ব্যবসায়ী মহাদেব সাধুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

চেক প্রতারণা করায় সাতক্ষীরার ব্যবসায়ী মহাদেব সাধু’র বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। গত ২৯ মে ভোলার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের সিনিয়র বিচারক মোঃ আলী হায়দার এ গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
এর আগে ভোলার খাঁন ফ্লাওয়ার মিলস এর সত্ত্বাধিকারী জামাল খাঁন চলতি বছরের ১১ জানুয়ারী ভোলা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় অবশেষ তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
ব্যবসায়ী জামাল খাঁন বলেন, সাতক্ষীরার মন্দিরা অয়েল এন্ড ট্রেডিং এর সত্ত্বাধিকারী মহাদেব সাধু’র সাথে ব্যবসায়ীকভাবে পরিচয় হয়। সেই সুবাধে ২০২১ সালের ১৯ জুলাই তাঁর (মহাদেব সাধু)’র কাছ থেকে গম ক্রয়ের জন্য আমার মেসার্স খাঁন ফ্লাওয়ার মিলস এর নামীয় পূবালী ব্যাংক ভোলা শাখার একটি হিসাবের মাধ্যমে-৮৪৮০০৮১ নং চেকে পূবালী ব্যাংক, সাতক্ষীরা শাখার “মেসার্স মহাদেব অয়েল মিল” এর ১৮১২৯০১০১৭৮৯৪ হিসাব নাম্বারে ১৫ লাখ টাকা পাঠাই। কিন্তু মহাদেব সাধু গম না পাঠিয়ে বিভিন্নভাবে তাল বাহানা করতে থাকেন। এর মধ্যে জামাল খাঁন মহাদেব সাধু’র কাছ থেকে গম ক্রয় এবং বিভিন্ন কৌশলে ৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। গম দিতে না পরায় এরপর মহাদেব সাধু জামাল খাঁনকে ৬ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেক নং-২৮৩২৮৫৩, হিসাব নং-০০২৮১১১০০৭৭৯৩। বাকি টাকা মৌখিকভাবে রাখা হয়।
জামাল খাঁন আরো জানান, মহাদেব সাধু’র দেয়া চেক নিয়ে তিনি ব্যাংকে যান টাকা উত্তোলনের জন্য। কিন্তু ব্যাংকে গেলে দেখা যায় যে উক্ত হিসাব নম্বরে পর্যাপ্ত কোন টাকা নেই। মহাদেব সাধু আমার সাথে প্রতারণা করার লক্ষ্যে উল্লেখিত হিসাবে কোন টাকা রাখেন নি। তাকে (মহাদেব সাধু)’র ০১৭১২-৬১২৮২৩ নাম্বারে ফোন করলেও তিনি আমার ফোন রিসিভ করেন নি। অন্য মোবাইল ফোন দিয়েও কল করা হলে তাও তিনি রিসিভ করেননি। উপায়ন্তর না পেয়ে গত দেড় মাস আগে মহাদেব সাধুর ঠিকানায় উকিল নোটিশ প্রদান করি। সেই উকিল নোটিশেরও কোন জবাব দেয়নি মহাদেব সাধু। তাই বাধ্য হয়ে আমি মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারী) তারিখে ভোলার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করি। মামলা নং-সিআর-৯/২০২২।
তিনি আরো বলেন, আমি খোজ নিয়ে জানতে পারি মহাদেব সাধু সাতক্ষীরা জেলার, সাতক্ষীরা উপজেলার তালতলা মাগুরা এলাকার বাসিন্দা সনাতন সাধু’র ছেলে। তার অফিস হচ্ছে- সবুজ সাহেবের (২য় তলা), সোনালী ব্যাংকের পিছনে, ভোমরা। আরো জানতে পেরেছি মহাদেব সাধু একজন ঠক, প্রতারক। ব্যবসার আড়ালে তিনি প্রতারণা করে থাকেন। তিনি বাংলাদের বিভিন্ন স্থানের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথেও প্রতারণা করেছেন। মামলার পর তার বিরুদ্ধে সমনজারী করা হয়েছে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।