ভোলার কাচিয়ায় শীর্তাত ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

প্রচন্ড শীতে কাবু হয়ে পরেছে কাচিয়া ইউনিয়নের অসহায় সুবিধাবঞ্চিত শীর্তাত ও ছিন্নমূল মানুষগুলো। একটুখানি গরম কাপড়ের আশায় ছিন্নমুল ও অসহায় মানুষেরা ঘুরছে দ্বারে দ্বারে। আর এই অসহায় শীতার্ত মানুষদের পাশে সরকার থেকে পাওয়া ৩ শত কম্বলের পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জহুরুল ইসলাম নকিব তার নিজস্ব ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১ হাজার পিচ কম্বল অসহায় দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষের মাঝে গরম কাপড় বিতরণ করেন। শনিবার (২৯ জানুয়ারী) সকাল ১১ টায় ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে সকলকে মাস্ক পরিধান করে শারীরিক দুরুত্ব বজায় রেখে তিনি এই কম্বল বিতরণ করেন।
গরম কম্বল হাতে পেয়ে শীতার্ত মানুষদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। কাচিয়া কাঠির মাথা বেড়ীবাঁধ পাড়ের গাফফার নামে ৭৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি জানান, একখান কম্বলের জন্য তিনি সকলের কাছে গেলেও কেউ তাকে সহযোগীতা করেনি। আজ কম্বল পেয়ে তিনি হাসিমুখে বাড়ী ফিরে যান।


কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মমিন টুলু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীগের সভাপতি ও সম্পাদক, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সহ ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্যগণ।
কাচিয়া ইউনিয়ন থেকে তিন বারের নির্বাচিত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জহুরুল ইসলাম নকিব বলেন, শীত নামার পর থেকে আমি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অসহায় শীতার্তদের সাধ্যমত সহযোগীতা করে আসছি। আজ কয়েক দিন প্রচন্ড শিত পড়ায় অসহায় সুবিধাবঞ্চিত বেড়ীবাঁধ পাড়ের গরীব মানুষদের কথা চিন্তা করে আমার নিজস্ব অর্থায়নে ১ হাজার পিচ কম্বল বিতরণ করি। সুযোগ পেলে আরো বেশি করে মানুষদের সহযোগিতা করে যাবো। মানুষদের জন্যই আমি রাজনীতি করি, তাদের সেবা করতে পারলেই জীবন সার্থক হবে আমার।


প্রধান অতিথি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মমিন টুলু বলেন, নকিব উদার মনের অধিকারী। নকিব চেয়ারম্যান আপনাদের প্রতি অনেক বেশি আন্তরিক এবং অনেক বেশি ভালোবাসেন। নকিব ভোলা জেলার সব চেয়ে বেশি জনপ্রিয় চেয়ারম্যান এবং কর্মী বান্ধব নেতা তার উদাহরণ আপনিরা আজ পেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে ও পাবেন। নকিব কাচিয়াবাসীর উন্নয়নের জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকে। আপনারা তার জন্য দোয়া করবেন।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।