সর্বশেষঃ

ভোলায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ আবদুল মালেক কে গ্রেফতারের দাবীতে সাংবাদ সম্মেলন

ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনয়নের সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ আবদুল মালেক ওরফে মেহেন্দি মালেক ও তার চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবদুল মালেক ও তার গ্রুপের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী ও হামলা লুটপাটের অভিযোগে থানায় মামলা হলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। তাই কাচিয়া ইউনিয়নের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্টকারী আবদুল মালেকসহ তার গ্রুপের সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতার করার দাবী জানিয়ে বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে ভোলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছে।
ভোলার কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে এলাকার ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিব সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় তিনি বলেন, আবদুল মালেকের নেতৃত্বে প্রতিদিন পরানগঞ্জ, কাঠির মাথা এলাকায় জুয়ার আসর বসে। সেখানে রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন- অটো, বোরাক থেকে ২০ টাকা, কাঁকড়া-ট্রলি থেকে ২০০ টাকা এবং বড় ট্রলি থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হয়।
তিনি আরো বলেন, গত ১৭ নভেম্বর জনৈক তার ট্রলিতে বালি নিয়ে যাওয়ার সময় তার কাছে মালেক পাঁচশত টাকা চাঁদা দাবী করেন। কিন্তু চাঁদার টাকা না দেওয়ায় মালেক ওই ট্রলি আটক করে। এসময় উত্তেজিত জনতা মালেককে ঘেরাও করে আটকে রাখে। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানল থেকে উদ্ধার করে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সে পুলিশ প্রহরা থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর দিন (২২ নভেম্বর) রাতে কাচিয়া কাঠির মাথা বাজারে মালেক, তার ভাই বাবুল ও তার ছেলে কামরুলের নেতৃত্বে মনির মেম্বারের একটি মাছঘাটে বোমা হামলা করে লুটপাট চালায়। এসময় কয়েকজনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে এবং বগি দা দিয়ে কুপিয়ে মাছঘাট তছনছ করে। এসময় জনতা তাদের ধাওয়া করলে তারা ট্রলার যোগে পালিয়ে যায়। এসব ঘটনায় ভোলা থানায় মালেকসহ ১৮ জনকে আসামী করে পৃথক দুটি মামলা করা হলেও পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বাজায় রাখার জন্য মালেকসহ সন্ত্রাসীদের পুলিশ যাতে দ্রুত গ্রেফতার করে তার জন্য সংবাদ সম্মেলনে অনুরোধ জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান নকিব।

এ ব্যাপারে যোগাযোগের জন্য মালেক ওরফে মেহেন্দি মালেক এর মোবাইলে কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি বিধায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।