টবগি ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল হাসান নৌকার বিরুদ্ধে বক্তব্য নিয়ে এলাকায় আলোচনার ঝড়

ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার আলোচিত টবগি ইউনিয়ন পরিষদের নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান নৌকা প্রতিক ও দলের বিরুদ্ধে অপ্রাসাঙ্গিক ভাবে বক্তব্য দেওয়ায় ঐ এলাকা জুড়ে আলোচনা ও সমালোনার ঝড় বইছে দলীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে।
শনিবার সন্ধ্যা ৭ টার সময় মনিরাম বাজারে হারুন মেম্বারের অফিসে এক বক্তব্যে টবগি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান দলীয় চেয়ারম্যান হয়ে ও দলের বিরুদ্ধে অপ্রাসঙ্গিক এবং নৌকা প্রতিক লাগবে না, দলের পদ লাগবে না মর্মে উত্তেজিত ভাবে বক্তব্য দিয়ে এলাকায় দলীয় কোন্দল সৃস্টি করেছে। তিনি সে অনুষ্ঠানে ব্যক্তি লীগ কে বড় করে দলকে ছোট করে ব্যক্তি কে নৌকা প্রতিকের উর্ধ্বে নিয়ে কথা বলে দলের বিরুদ্ধে ফাটল ধরিয়ে নেতা কর্মীদের ভিতর উত্তেজিত করেছেন। এ নিয়ে সেখানে তার বক্তব্য সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে এবং বিভিন্ন সময় আলোচিত সমালোচিত চেয়ারম্যান কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে ফুলে পেপে ক্ষেপে উঠেছে স্থানীয় লোকজন।
টবগি ইউনিয়নের বসবাসরত ৮০ বয়োষর্ধো সালাম জানান, চেয়ারম্যান কামরুল হাসান নৌকা ও দল নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন এটি ঠিক হয়নি, তার কারণ ব্যক্তির চেয়ে দল বড়।
চেয়ারম্যান কামরুল হাসানের বক্তব্যের ক্ষোভ প্রকাশ করে ঐ এলাকার চেয়ারম্যান প্রার্থী হেলাল উদ্দিন নয়ন তিনি জানান, বর্তমান টগবি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একটি অনুষ্ঠানে দল এবং আ’লীগ কে ছোট করে তিনি তার দলীয় পদ পদবির কাগজ প্রকাশ্য ছিড়ে ফেলার কথা ও হুমকি দেন যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। তিনি ভোলা-২ আসনের জনপ্রিয় এমপি আলহাজ্ব আলী আজম মুকুল মহোদয়, জেলা আ’লীগ ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সম্পাদকের কাছে তাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য বহিঃস্কার করার দাবি জানিয়েছেন। যদি তাকে দল এবং দলীয় চেয়ারম্যানের পদ থেকে বহিষ্কার করা না হয় তাহলে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও দলীয় নৌকাকে অপমান করার শামিলের মধ্যে বর্তায়।
এ ব্যাপারে বর্তমান চেয়ারম্যান কামরুল হাসান মুঠোফেনে জানান, যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় সেটি এডিটিং করা। এটি মিথ্যা বানোয়াট ও ভুয়া। সমাজে আমাকে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য করা হয়েছে।
