ভোলা-বরিশাল রুটে গণপরিবহণ বন্ধ, চলছে লঞ্চ

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে অঘোষিত গণপরিবহন ধর্মঘটের প্রথমদিন ভোলা-বরিশাল রুটে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও চলাচল করছে যাত্রীবাহী লঞ্চ। শুক্রবার সকালে ভোলার ভেদুরিয়া ফেরিঘাটে গিয়ে দেখা গেছে গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বরিশালের লাহার থেকে ফেরি কৃষ্ণচুরা ভোলা ফেরিঘাটে নির্ধারিত সকাল সাড়ে ৬টায় আসার কথা থাকলেও সেই ফেরি এসেছে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে। সেই ফেরিতে ৭-৮ টি মালবাহী ট্রাক ও পিক-আপ, এ্যাম্বুলেন্স ও ৪-৫ টি মোটরসাইকেল নিয়ে ভোলার ভেদুরিয়া ফেরিঘাট থেকে বরিশালের লাহারহাটে যেতে দেখা গেছে। তবে, বরিশাল-ভোলা লঞ্চঘাটের চিত্র ছিল ভিন্ন। ওই রুটে নিয়মিত চলাচল করছে যাত্রীবাহী লঞ্চ। ধারণক্ষমতা ও আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে ভোলার ভেদুরিয়া ঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো। আবার বরিশাল থেকেও কম যাত্রী নিয়ে ভোলার ভেদুরিয়া ঘাটে আসছে লঞ্চ।
এ বিষয়ে ভোলা-বরিশাল রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ মেঘদূতের মাস্টার মো. নাসির উদ্দিন জানান, শুক্রবার সকাল থেকেই যাত্রী সংখ্যা ছিল অনেক কম। বরিশাল থেকে সকাল ৭টায় আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে ভোলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে ওই যাত্রীবাহী লঞ্চ। ভোলায় পৌঁছে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে। তিনি আরও জানান, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে সকালে ভোলা থেকে বরিশাল ও বরিশাল থেকে ভোলা প্রতিটি লঞ্চে যাত্রী ছিল কম।
ওই রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি আলমগীরের মাস্টার জানান, ভোলার ভেদুরিয়া ঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে রওনা হয়েছে। এতে জ্বালানির খরচ উঠবে কিনা সন্দেহ।
ওই লঞ্চের যাত্রী মো. ইসমাইল, ফরিদ ও শাওন জানান, লঞ্চে যাত্রী অনেক কম। অর্ধেক আসন খালি পড়ে আছে। লঞ্চে কোনো ভিড় নেই। অন্যদিকে ভোলা-চরফ্যাশন রুটে সকাল থেকে বাস চলাচল করছে। তবে, বাসেও যাত্রী আগের চেয়ে কম লক্ষ্য করা গেছে।
এ বিষয়ে ভোলা জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ শুক্রবার বিকেলে ভোলার বাণীকে বলেন, ভোলায় গণপরিবহন চলাচল করছে। তিনি আরও বলেন, আমরা একটা দ্বীপের মধ্যে আছি। তাই, আমরা যাত্রীদের অসুবিধার কথা চিন্তা করে এ রুটে গণপরিবহন বন্ধ করতে পারি না।
