লালমোহনে শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে করণীয় শীর্ষক ‘নাগরিক সংলাপ’

‘রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠায়, শুদ্ধাচার চর্চার বিকল্প নেই’ এ প্রতিপাদ্যে ভোলার লালমোহনে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে করণীয় শীর্ষক নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক এর আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
সুজনের জেলা সভাপতি মো. মোবাশ্বের উল্যাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও লালমোহন উপজেলা সমন্বয়কারী মো. জসিম জনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পল্লব কুমার হাজরা।
এছাড়াও অনুষ্ঠিত সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবুল হাসান রিমন, জেলা সুজনের সাধারণ সম্পাদক নাসির লিটন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এএফএম শাহাবুদ্দিন, ওসি মো. মাকসুদুর রহমান মুরাদ, উপজেলা প্রকৌশলী মো. বেল্লাল হোসেন, পৌরসভা আওয়ামীলীগের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম বাদলসহ উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গরা।
প্রধান অতিথি পল্লব কুমার হাজরা বলেন, পরিবার থেকে শুদ্ধাচারের প্রশিক্ষণ পেলে প্রতিটি শিশু শুদ্ধাচারী হয়ে উঠবে এবং বাস্তব জীবনে শুদ্ধাচার প্রয়োগ করবে। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সাথে সাথে সাধারণ মানুষকেও শুদ্ধাচারী হতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে সুজনের জেলা সভাপতি মোবাশ্বির উল্যাহ চৌধুরী বলেন, সারাদেশে শুদ্ধাচারের মহা সংকট চলচে। বিশেষ করে সরকারী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন স্তরে অধিকাংশ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাই শুদ্ধাচার লঙ্গন করছেন। তিনি বলেন, স্কুল-কলেজে অধিকাংশ শিক্ষক ক্লাশে পাঠদানে অনিহা দেখায় এবং প্রাইভেট পড়ানোর জন্য ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বাধ্য করে। তিনি রাজীনৈতিক, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মীদের অধিকাংশই শুদ্ধাচার মানেন না বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরো বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় পরিষদ পর্যন্ত সর্বোত্রই নমিনেশন বাণিজ্য চলছে। ফলে রাজনীতিকদের চেয়ে ব্যবসায়ী সংসদে বেশী। এই অবস্থা থেকে পরিত্রানের একমাত্র পথ জনগণকে শুদ্ধাচার বর্হিভূত কর্মকান্ডের প্রতিবাদে এগিয়ে আসা।
