সর্বশেষঃ

সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ব্যানার খোঁজাখুঁজি করেন উদ্যােক্তা

চেয়ারম্যান দলীয় প্রতিকের তবুও শোক দিবসের ব্যানার শোভা পাইনি পশ্চিম ইলিশা পরিষদে

 

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবার ১৯৭৫ সালের এই দিনে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়।
দিনটি কে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করেন দেশবাসী।
সেই হিসেবে সরকারী নির্দেশনা থাকলেও ভোলা সদর উপজলোর ৩নং পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে ১৫ আগস্টরে ড্রপডাউন ব্যানার ব্যবহার না করায় সচেতন মহলে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সরকারী নির্দেশ থাকলেও পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন মিয়া আজ ১৫ আগষ্টের বেলা ১১ টা পর্যন্ত এই ব্যানার লাগাইনি।
১ আগস্ট থেকে ড্রপডাউন ব্যানার লাগানোর কথা থাকলেও মাসের ১৫ তারিখ বেলা এগারোটা পর্যন্ত লাগানো হয়নি ব্যানার এতে হতাশা প্রকাশ করেছে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগসহ সচেতন মহল। যা সরকারী নির্দেশনার প্রতি এক প্রকার বৃদ্ধাঙ্গলী প্রদর্শনের শামিল। সরকারী নির্দেশনা থাকলেও ড্রপডাউন ব্যানার ব্যবহার না করায় সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় বইছে।
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফ হোসেন বাঘা বলেন, এটা লজ্জাজনক, আজ জাতীয় শোক দিবসের ব্যানার পরিষদে টানানো হয়নি।
পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, আজকে এই মহান শোক দিবসে ইউনিয়নের সব্বোর্চ প্রশাসনিক কেন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদে ১৫ই আগষ্টের ব্যানার নেই এর চেয়ে কষ্ট কি হতে পারে?
পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহে আলম হাওলাদার বলেন, আমি দলীয় অফিসে লাগানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছি কিন্তু পরিষদে লাগাইনি এটা জানা নেই, আমি এখনই খবর নিচ্ছি।
পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল খালেক মিয়া বলেন, এক ঘন্টা আগে লাগিয়েছে জানি (এই প্রতিবেদক পরিষদ থেকে আশার পর লাগিয়েছে) তবুও আমি চেয়ারম্যান এর সাথে কথা বলে জানাচ্ছি।
নাম প্রকাশ না করার সত্ত্বে  একাদিক আওয়ামীলীগ নেতা জানান, নৌকার প্রতিকের চেয়ারম্যান এবং দলীয় সেক্রেটারি তার পরেও পরিষদে শোক দিবসের ব্যানার শোভা পাইনি এর চেয়ে কষ্ট আর কি হতে পারে?
১৫ আগষ্ট বেলা ১১ টায় পরিষদে এই ব্যানার না দেখে উদ্যােক্তা জাকির হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি তো জানিনা কেনো লাগানো হইনি তবে লাগানোর কথা।
পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব হারুন উর রশিদ বলেন, আমার ভাই করোনা পজেটিভ তাই আমি একটু ব্যস্ত তবে পরিষদের পিয়ন কে লাগাতে বলছি তিনি লাগাইনি মনে হয়, যাক আমি আপনার সাথে দেখা করবোে।
 পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গিয়াসউদ্দিন মিয়া কে একাদিকবার কল দিলেও তার ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ভোলা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি দলীয় নেতৃবৃন্দ কে অবহিত করবো।
ভোলার সহকারী কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ আলী সুজা বলেন, ওই পরিষদের চেয়ারম্যান কোন প্রতিক নিয়ে নির্বাচিত?  নৌকার প্রতিকের চেয়ারম্যান এবং দলীয় সেক্রেটারি শুনে তিনি বলেন এটা দুঃখজনক।
তবে সরকারী নির্দেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

You cannot copy content of this page