ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষ্যে ভোলায় সংবাদ সম্মেলন
মাদকের অভয়ারণ্য লালমোহন সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড

লালমোহন সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড এখন মাদকের অভয়ারণ্য। গ্রুপে গ্রুপে উঠতি বয়সের কিশোরদের আড্ডা এখানে সবসময় চলে। খবর নিয়ে জানা যায়, সকালে বিকালে ও রাত পর্যন্ত চলে এই আড্ডা। আড্ডায় টাস, লুডু, কেরামসহ টাকা দিয়ে জুয়া খেলার আসর জমে রাতভর। বার বছরের কিশোর থেকে ষাট বছরের বুড়ো পর্যন্ত এসব আসরের সদস্য। কেউ কেউ মনে করছেন করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের কারনে অনেকেই বেকার হয়ে পড়ায় সময় কাটাচ্ছেন এভাবে। স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরাও এখন এসব আসরের সক্রিয় সদস্য।
গত সপ্তাহে এ এলাকা থেকে নোমান নামের এক কিশোরকে আট পিচ ইয়াবা টেবলেটসহ পুলিশ আটক করার পর চোখ খুলে যায় অভিভাবকদের। অভিভাবকগণ এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে কখন যেন তাঁর সন্তানটিও জড়িয়ে পড়ে এই আড্ডায়।
এ বিষয়ে ইউনিয়নের ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আল মামুন খানের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, এসব এখন ক্যান্সারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের এখন করার কিছুই নেই। সবকিছুই উপর থেকে হয়। তিনি বলেন, খান সাহেব রোডের মাথা, বেদরকারি রোড, উত্তর ফুলবাগিচা প্রাইমারি স্কুল থেকে হাকিমিয়া প্রাইমারি স্কুল হয়ে মিনার মসজিদ পর্যন্ত এই রোডটি এদের নিরাপদ আস্তানা। এরা এতই সংগঠিত যে তাদের বিরুদ্ধে কেউই কিছু বলছেনা । এছাড়াও দোকানের পিছনে, ক্লাবে, স্কুল ঘরের নীচে চলে এসব আসর। বড় বড় শুপারির বাগানেও চলে এই আড্ডা। এই আসরে গাঁজা আর ইয়াবার সরবরাহ চলে ওপেন সিক্রেট। দেখার যেন কেউই নেই।
এলাকাবাসীর দাবি এই এলাকায় প্রশাসনিক নজরদারি বাড়িয়ে এই আসরগুলো ভেঙে ফেলা উচিত। নচেৎ এখান থেকেই গড়ে উঠতে পারে কিশোর গ্যাং-এর দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী।
