দৌলতখানে ভুয়া সনদ দিয়ে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর বিয়ে

ভোলার দৌলতখানে ভুয়া সনদ দিয়ে নবম শ্রেণির মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীর বিয়ে পড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে কাজীর বিরুদ্ধে। জানা যায়, দৌলতখান উপজেলার দিদারুল্লাহ্ ফাজিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বিয়ে পড়িয়েছেন মাওলানা সবুর কাজী। সে উপজেলার হোসাইনিয়া এতিমখানা ও মহিলা মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক বাল্য বিবাহ পড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। সে উপজেলার মাওলানা রফিকুল ইসলামের সহকারী কাজী হিসাবে এলাকায় বাল্য বিবাহ পড়িয়ে যাচ্ছেন।
এ শিক্ষার্থী ব্যাপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ঐ মেয়ে আমার মাদ্রাসার নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিবাহের এক দিন পূর্বে মেয়ের পরিবারের লোকজন তার জন্মনিবন্ধনের কার্ড উত্তোলনের কথা বলে জেএসসি পরিক্ষার সনদ তুল নিয়ে যায়। সনদ পত্রে তার জন্ম তারিখ ১৮/৯/২০০৬। অথচ সেই বিতরর্কিত কাজী মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ঐ মূল সনদকে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে বয়স বৃদ্ধি করে ১৮/৯/২০০২ বানিয়ে বিবাহ পড়ান।
বাল্য বিবাহ পড়ানো সম্পর্কে জানতে চাইলে কাজী বলেন, আমি বাল্য বিবাহ পড়াই না। সরকার বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ নিলেও কতিপয় অসাধু কাজির অর্থ বানিজ্যের কারণে সরকারের এ মহৎ উদ্দ্যোগটি ভ্যস্তে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তাই সাধারণ জনগণের দাবি এ সকল অসাধু অর্থলোভী কাজীদের চিহ্নিত করে এখনই আইননানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হোক এমনটাই দাবী করছেন সচেতন মহল।
