সর্বশেষঃ

ঈদের হাঁসি নেই ভাসমান জেলেদের মুখে

আর মাত্র এক দিন পর পবিত্র ঈদুল আযহা, ঈদুল ফিতরের চেয়ে ঈদুল আযহা মানুষের মনে আনন্দ বিরাজ করে সব চেয়ে বেশি। কমপক্ষে পনেরো দিন আগেই কুরবানীর ঘর কিনা, গরুর বাজার উঠা এ যেন ঈদের আগেই আমেজ শুরু কিন্তু এ বছর করোনা মহামারির কারনে সবকিছুই যেন আলাদা আমেজহীন ঈদ। তবুও পরিবার পরিজন কে খুশি রাখতে পরিবারের প্রধানরা ঈদ আনন্দের জন্য সকল প্রস্ততি শেষ করেছে। গরীব দুস্থদের জন্য সরকার দিয়েছে নানা প্রকার উপহার।
কিন্তু জলে বাস করা ভাসমান জেলেদের খবর কখনো কেউ রাখেনি, বাংলাদেশের নাগরিক হলেও  জলে ভাসমান জেলেরা পরিবার পরিজন নিয়ে দু’মুঠো ভাতের জন্য ঝড়বৃষ্টি সব কিছুর মধ্যে যুদ্ধ করে গেলেও তাদের পাশে বা তাদের খবর কেউ নেইনি।
করোনা মহামারি উপলক্ষে তাদের সংসার কষ্টে যাচ্ছে অন্যদিক সরকারের দেওয়া মৎস্য আইন অনুযারী তারা নদীতে জাল পালাতে পারেনি এখন আসছে কুরবানি ঈদ মুসলমান হলেও কুরবানি ঈদে মাংস কেনার সামর্থ্য টুকু নাই মেঘনা নদীর ভাসমান জেলের পরিবারে।
ইলিশা ফেরিঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায় পাশাপাশি দুইটি নৌকায় ছোটবড় পুরুষ মহিলা মিলিয়ে ১৫/২০ জন লোক পুরুষ একজনে দাড় ধরে দাঁড়িয়ে আছে আর মহিলারা দাড় টানছেন একদিন পরে ঈদ আর ঈদ করার জন্য লঞ্চ ফেরিতে হাজার হাজার মানুষ আসছেন আর নৌকায় থেকে কষ্টভরা চোঁখে দেখছেন শিশুরা।
নৌকার মাঝি অথাৎ পরিবারের প্রধান হাসেম মাঝি বলেন, আমার পরিবারের ১৪ জন সদস্য এর মধ্যে ৫ জন শিশু একদিন পরে যে ঈদ, এমন কোন আমেজ আমাদের নাই, শিশুদের জন্য যে এক কেজি মাংস কিনবো সেই সামর্থ্য আমার নাই, এবার নদীতে তেমন মাছ শিকার করতে পারিনি।
বানু বেগম বলেন, আমাদের জন্মস্থান বাড়ী মুন্সিগঞ্জ ছোট থেকেই নৌকায় পরিবার পরিজন নিয়ে আমাদের বসবাস, আমরা না খেয়ে থাকলেও সরকারী কোন অনুদান আমরা পাইনা।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

You cannot copy content of this page