ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষ্যে ভোলায় সংবাদ সম্মেলন
দীর্ঘ হিসেব-নিকেশে ব্যাপক পুকুর চুরি
দৌলতখানে মাছ ব্যবসায়ীর কোটি টাকা আত্মসাত করলো দূর্বৃত্তরা !

ভোলায় হিসেব-নিকেশের গড়মিল দেখিয়ে প্রতিপক্ষ দূর্বৃত্তরা নিরিহ এক মাছ ব্যবসায়ীর প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ উঠেছে। পাওনাকৃত ওই টাকা চাইতে গিয়ে মাছ ব্যবসায়ী কামাল হোসেন সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রান্তের শিকার হয়েছেন। স্থানীয়ভাবে ঘটনার সমাধান না করে রাঘববোয়ালরা বিষয়টি ধামাচাপার চেস্টা চালাচ্ছে বলেও খবর মিলেছে। ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ওই চক্রটি ব্যবসায়ী কামালের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়েও ফেঁসে গেছেন। ভোলার দৌলতখান উপজেলার মেদূয়া ইউনিয়নের মাঝিরহাট মাছঘাটে এ ঘটনা ঘটেছে।
মাছ ব্যবসায়ী কামাল মিয়া অভিযোগ করেন, দীর্ঘ প্রায় দেড়যুগ ধরে তিনি ওই ঘাটে মাছের কারবার করে আসছেন। বছরের পর বছর দূর্বৃত্তচক্রটি যে পুকুর চুরি করেছে এতদিন পর তিনি তা উদঘাটন করতে পেরে একেবারে হতাশ ও অসুস্থ্য হয়ে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, ভিক্টিম কামাল হোসেন দীর্ঘ প্রায় দেড়যুগ ধরে ওই এলাকার মাঝির হাট ঘাটে মাছ ব্যবসা করে আসছেন। তার গদির ম্যানেজার মোঃ বাসেদ ও স্থানীয় বাসিন্দা রফিক মিয়ার পুত্র প্রতিপক্ষ মাকসুদ ও মানসুর নামক দুই সহদোরের সাথে যোগসাজশে এ ব্যবসায়ীর কোটি কোটি টাকা লুটেপুটে নিয়ে যান।

বিষয়টি নিয়ে খাতাপত্রসহ হিসেবে বসার কথা বললে বাসেত ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা তাতে রাজি না হয়ে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। সেই সূত্র ধরে এসব দূর্বৃত্তরা গত ১৯ জুন বিকেলে ভোলা সদরের শিবপুর ইউনিয়নের রতনপুর বাজারের তিথি নামক জুয়েলার্সের সামনে ব্যবসায়ী কামালের উপর আকস্মিক হামলা চালায়। উল্টো তার বিরুদ্ধে জনৈক জোস্না বেগমকে বাদী করে কোর্টে একটি মিথ্যে মামলা দায়ের করানো হয়। মামলটি থানায় এজাহারের আদেশ দেন বিচারক। থানা পুলিশ এটির তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা খুজে পাননি বলে জানান।
ওই জুয়েলারীর মালিক কেশবচন্দ্র জানান, ঘটনাটি একেবারেই ডাহা মিথ্যে ও বানোয়াট। স্থানীয় রতনপুর বাজারের বিভিন্ন ব্যসায়ীরাও এধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন।
ভোলা সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ ও মেদূয়া ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ একাধিকবার সমঝোতায় বসেও কোন প্রকার সুরাহা করতে পারেননি বলে ওই এলাকার চেয়ারম্যান মঞ্জুর জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত ম্যানেজার মোঃ বাসেত ও মাকসুদ-মানসুরের সাথে সরেজমিন আলাপকালে তারা নিজেদের নির্দোষ বলে দাবী করেন। বর্তমানে এ ঘটনাটি নিয়ে ওই এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কবির হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে তদন্তে কোন স্বাক্ষী প্রমান মেলেনি। ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এনায়েত হোসেন জানান, ঘটনার পুরোপুরি তদন্ত শেষে সঠিক প্রতিবেদন কোর্টে দাখিল করা হবে।
