ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষ্যে ভোলায় সংবাদ সম্মেলন
পরকীয়া করতে গিয়ে স্ত্রীর হাতে ধরা পড়ায় গণধর্ষণের অভিযোগ

ভোলার লালমোহনে পরকীয়া করতে গিয়ে স্ত্রীর হাতে ধরা পড়ায় ৩ জনের নামে গণধর্ষণের অভিযোগ করেছে এক গৃহবধু। উপজেলার কালমা ইউনিয়নের লেছ ছকিনা গ্রামের ৪ সন্তানের জননী এ অভিযোগ করেন। সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর ওই গৃহবধুকে বেঁধে রাখাসহ সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখে স্থানীয়রা। পরে রাত পোনে ২টায় মুক্ত হয়ে লালমোহন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসে। সেখান থেকে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ভোলা হাসপাতালে পাঠান।
ভোলা হাসপাতালে চিকিৎসারত ৪ সন্তানের জননী এ গৃহবধু সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, সোমবার সন্ধ্যার পর হাঁসের বাচ্ছা খুঁজতে পাশ^বর্তী জামালের বাড়িত যান তিনি। এরপর তাকে জামাল, বেল্লাল ও ইমরান মুখ চেপে ধরে হাত টেনে বাগানের মধ্যে নিয়ে গণধর্ষণ করে। পরে তাকে জামালের বাড়িতে নিয়ে বেঁধে রাখা হয়। এছাড়া তার কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখে ওই এলাকার কাউছার পাটোয়ারী ও বেল্লাল পাটোয়ারী।
এ বিষয়ে ওই গৃহবধু মনোয়ার স্বামী মন্নান ও তার আপন মা হনুফা বেগম জানান, মনোয়ারাকে জামালের বাড়িতে মারধর করা হয়েছে শুনেছেন। তার সাথে আর কি করা হয়েছে তা তারা কেউই জানেনা। জামালের বাড়ির আরেক গৃহবধু ময়না বেগমসহ আরো কয়েকজন জানান, জামালের সাথে গৃহবধু মনোয়ারার ৩ বছর ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলে আসছিল। এর আগে এ নিয়ে পারিবারিকভাবে জামেলা হয়েছে। সোমবার রাতেও তারা পারস্পরিক যোগসাজসে মনোয়ারা জামালের বাড়ির পেছনে পুকুর পাড়ে আসে। সেখানে জামালের স্ত্রী টের পেয়ে জামালের সাথে হাতে নাতে আটক করে মনোয়ারাকে। এসময় জামাল দৌড়ে পালিয়ে গেলেও মনোয়ারাকে ধরে বাড়িতে নিয়ে মহিলারা মারধর করে। পরে স্থানীয়রা খবর পেয়ে উভয়পক্ষের লোকজন নিয়ে মনোয়ারার কাছ থেকে লিখিত রাখে। এ ঘটনার পর মনোয়ারা রাতে ১.৫০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ করে। তার অভিযুক্ত বেল্লাল ও ইমরান গত দেড় মাস ধরে এলাকাই থাকে না বলে স্থানীয়রা জানান।
লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকসুদুর রহমান মুরাদ জানান, খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করেছে। তবে এখনো কোন অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে পূণরায় তদন্ত করা হবে।
