ভোলায় দুই অপহরণকারী আটক ॥ এনজিও কর্মী উদ্ধার

ভোলার ইলিশা থেকে এনজিও কর্মীকে অপহরণের ৩ দিন পর উদ্ধার করেছে ভোলা সদর থানা পুলিশ। এসময় দুই অপহরণকারীকে আটক করেন এসআই কাজল ও তার টিম। বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকে আটক করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় দিগে আলিনগর মাদ্রাসা বাজার এলাকার নাছির ফরাজি বাড়ি থেকে এস,আই কাজলের নেতৃত্বে সদর থানার পুলিশের একটি টিম ভিক্টিমসহ দুই অপহরণকারীকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে গতরাত ১১টায় ভিক্টিমের ভাই মোঃ আসাদুল্লাহ বাদি হয়ে ৫ জনকে অভিযুক্ত করে ভোলা সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
ভিক্টিমের পরিবার জানান, অপহরণকারী ১. এামুন (হোটেল)। ২. মামুন খলিফা। ৩. নাজিবুল্লাহ। ৪. দুলাল। ৫. হাসেমসহ ১০ থেকে ১২ জন একটি গ্রুপ ভিক্টিমের বাড়িতে যায়। ভিক্টিমের সাথে কয়েকজন আসামীর ব্যাবসায়ীক পরিচয় ছিল। গত ২৬ জুন বিকাল ৫.৩০ দিগে ব্যাবসায়ীক লেনদেনের কথা বলে ভিক্টিমকে বাড়ীর বাহিরে নিয়ে যায়। এর সন্ধ্যায় পার হয়ে গেলেও ভিক্টিমকে ফিরিয়ে না দেওয়ায় পড়িবারের মধ্যে উৎকন্ঠ বাড়তে থাকে। রাত পেরিয়ে গেলেও ভিক্টিমের হদিস না পাওয়ায় ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র জানান ভিক্টমের পড়িবার। এর কিছুক্ষণ পর অপহরণকারী তার মোবাইল নাম্বার থেকে ০১৭২৯৬৯৯৮৯৮ থেকে ভিক্টিমের ছোট ভাই আসাদুল্লাহ কাছে ফোন করে ০১৯২১৩৭৫৩০২ মুক্তিপণ দাবি করেন। এরপর পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে ভোলার মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে মোবাইল ট্রাকিং এর মাধ্যমে দুই অপহরণকারীসহ ভিক্টিম আলীনগর থেকে উদ্ধার করেন এসআই কাজল ও তার টিম।
এসআই কাজল বলেন, অপহরণকারী একাধিকবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করায় উদ্ধার অভিযান বিলম্বিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের অবস্থান চিহ্নত করে আলীনগর মাদ্রাসা বাজার এলাকার নাছির ফরাজি বাড়ি থেকে দুই অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান, আমরা মোবাইল ট্রাকিং এর মাধ্যমে অপহরণকারী দুইজনসহ ভিক্টিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
