ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষ্যে ভোলায় সংবাদ সম্মেলন
মনপুরায় ফের নির্বাচনী সংঘাত, আহত-৩

ভোলার মনপুরায় নির্বাচন যতো ঘনিয়ে আসছে ততই সংঘাতপূর্ণ হচ্ছে নির্বাচনী মাঠ। এতে আতঙ্ক বিরাজ করছে সাধারণ মানুষের মাঝে এবং থমথমে রয়েছে পুরো মনপুরা। আসন্ন ২ নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী প্রচারণা কালীন সময় প্রার্থী নিজামুদ্দিন হাওলাদারের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠে এসেছে। শনিবার (১৯ জুন) শাহারীয়ার চৌধুরী দীপক এর সমর্থকরা আনারস সমর্থিত প্রার্থী নিজামের নেতাকর্মীদের বেধড়ক মারধর করে এতে মোহাম্মদ জাফর মাঝি (৩০), খোরশেদ আলম (৩০), জিদনি(২১) গুরুতর আহত হন। আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
আহতদের পরিবার জানিয়েছেন তাদের অবস্থা গুরুতর উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দীপক বাহিনী এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। অতর্কিত হামলা, চোরাগুপ্তা হামলাসহ নানা ধরনের কর্মের সাথে প্রার্থী শাহরিয়া দীপক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন।
মুঠোফোনে প্রার্থী শাহরিয়ার চৌধুরী দীপক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ডে আমার দলের কোনো নেতা কর্মী জড়িত নয়।
বিষয়টি নিয়ে ওসি মনপুরার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
এব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাকিম ওসমান এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি অতি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, মনপুরা থানাকে মামলা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছি। অচিরেই মনপুরায় নির্বাচনী মাঠ প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনাতে সক্ষম হবে। আর আমি সেলক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।
স্থানীয় জনগন আশঙ্কা করছেন নির্বাচন পরিস্থিতিতে ভয়াভহ রূপ নিতে পারে আগামী ২১ তারিখে ২ নং হাজিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে।
উল্লেখ্য ভোলা জেলার বিচ্ছিন্ন মনপুরা উপজেলা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থী শাহরিয়ার দীপক এর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ হয়েছে যা পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে বেশ কয়েকবার প্রকাশিত হয়েছে। সর্বশেষ শনিবারের চোরাগুপ্তা হামলাসহ নানা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে মনপুরা থানা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।
