সর্বশেষঃ

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণসহ ৯ দাবি বেসরকারি শিক্ষকদের

আসন্ন বাজেটে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে বরাদ্দ দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম। দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার (২৫ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের মহাসচিব আব্দুল খালেক। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ সাইদুল হাসান সেলিম।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বর্তমান সরকার শিক্ষা সম্প্রসারণে প্রভূত উন্নতি করেছে। অথচ, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নে যথাযথ নজর দেওয়া হয়নি। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া, ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা এবং ৫০০ টাকা চিকিৎসাভাতা দেওয়া হয়, যা বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে খুবই বেমানান ও লজ্জাকর। দেশের ৯৭ শতাংশ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুরুদায়িত্ব পালন করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে ৯টি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো-
১. ইউনেস্কোর সনদ অনুয়ায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের লক্ষ্যে ২০২১-২২ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ দিতে হবে।
২. এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ বাড়িভাড়া, উৎসবভাতা ও চিকিৎসাভাতা দিতে বাজেটে বরাদ্দ বাড়াতে হবে।
৩. শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ৬ শতাংশ ও জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ করতে হবে।
৪. এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে ৫ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দিতে হবে।
৫. প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অবশিষ্ট নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করতে হবে।
৬. ২০১৫ সালের আগের নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের জন্য একই বেতন স্কেল নির্ধারণ করতে হবে। একইভাবে সহকারী প্রধান শিক্ষকদের আলাদা বেতন নির্ধারণ করতে হবে।
৭. অবিলম্বে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন ও শিক্ষক সুরক্ষা আইন করতে হবে।
৮. শিক্ষা খাতের বাজেট বরাদ্দ থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য খাতের সংশ্লিষ্টতা বাদ দিতে হবে।
৯. শিক্ষা খাতের বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থ ২৮টি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ব্যয় করা হয়। শিক্ষা খাতের বরাদ্দ শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেই ব্যয় করতে হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।