ভোলায় গৃহবধূর পরকিয়ার তথ্য ফাঁস হওয়ায় বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

অভিযুক্ত মনির ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ ফারাজানা।

ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চর আনন্দ -১ এলাকায় এক সন্তানের জননী প্রতিবেশী ব্যবসায়ীর সাথে পরকিয়া তথ্য জানাজানি হওয়ায় কিটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান।

পরে স্থানীয়রা ওই গৃহবধূ ফারজানা কে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছে।
বর্তমানে গৃহবধূ ফারজানা ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সোমবার সকালে ওই গৃহবধূর স্বামীর বাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনা সূত্রে জানাযায়, গৃহবধূ ফারজানা চর আনন্দ গ্রামের সোহেল এর স্ত্রী এবং এক সন্তানের জননী।
সোহেল জীবিকার তাগিদে চট্রগ্রাম বসবাস করেন, মাঝেমধ্যে বাড়ীতে আসেন।
স্বামীর অনুপস্থিতে গৃহবধূর স্বামীর বাড়ীর সামনের দোকানদার মনিরের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পরেন ফারজানা।
এর আগেও ফারজানার এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও জানান এলাকাবাসী।
গৃহবধূ ফারজানা ও মনিরের পরকিয়ার খবর এলাকায় সবার মুখে মুখে প্রকাশ পেলে, চট্রগ্রাম থেকে ফোনের মাধ্যমে স্ত্রীকে সর্তক করেন স্বামী সোহেল।
স্বামী সর্তক করলো কেনো?  এই রাগে ক্ষোভে কিটনাশক পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ফারজানা।
মুমূর্ষু অবস্থায় ফারজানা কে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ফারজানার মা বলেন, আমার জামাই সোহেল নাম্বার দিয়েছে, মনিরের সাথে কথা বলতে তাই বলেছে।
ফারজানার স্বামী বলেন, আমার স্ত্রীর এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে তার পরেও সন্তানের দিকে তাকিয়ে আমি মেনে নিয়েছি আজও সেই একই অবস্থা তাই আমি ফোনে জিজ্ঞেস করাতেই বিষপান করেছে।
অভিযুক্ত মনির বলেন,আমি কথা বলেছি ভাই, আপনারা যে ভাবে পারেন, সমাধান করেন, যা লাগে আমি দিবো।
এদিকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী এই বিষয়টি নিয়ে অর্থ বাণিজ্য করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও জানা গেছে।
স্থানীয়রা বলেন, এই করোনা মহামারিতে মানুষ আতঙ্কিত অন্যদিকে পবিত্র মাহে রমজান, রহমতের মাস এর মধ্যেই এই অপকর্ম, এর  দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী জানান।
টাকার বিনিময়ে যেন ঘটনাটি ধামাচাপা না হয় প্রশাসনে প্রতি জোর অনুরোধ জানান তারা ।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ ফরিদ উদ্দিন বলেন, তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

You cannot copy content of this page