বঙ্গবন্ধু আজীবন বাংলাদেশের মানুষের মনিকোঠায় থাকবেন  টেলিকনফারেন্সে তোফায়েল আহমেদ

 আওয়ামী লীগকে বিনাশ করতে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে রাজনীতি চলছে। ওরা জানে না বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গলে আদর্শের আওয়ামী লীগকে বিনাশ করা যায় না। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের মানুষের মাঝে মনিকোঠর হয়ে আজীবন থাকবেন। পৃ্থিবীর অনেক দেশে ই ভাস্কর্য আছে যেমন সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া  ইরাক,তুরুস্ক, সহ আরো অনেক দেশে সেখানে তো কোন সমস্যা হয় নাই।
আজকে যখন স্বাধীনতার ঘোষক হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলাদেশে ভাস্কর্য তৈরী হচ্ছে ঠিক তখনি কিছু স্বার্থন্বেষী রাজনীতি মহল জাতীর পিতার ভাস্কর্য স্থাপন নিয়ে ষড়যন্ত্রের খেলায় মেতে চলছে।
তিনি আরো বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে আজ ষড়যন্ত্র করছে আজ তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সকল ব্যবসায়ী, শ্রমিক জনতা, প্রশাসন বিভাগ সহ সর্ব স্থরের মানুষ তাদের রুখতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
যারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কথা বলছে এবং বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুর করছে তারা সত্যিকারের অর্থে বাংলাদেশের স্বধীনতা বিশ্বাস করে না।
জিয়ার ভাস্কর্য যখন হয়েছে তখন ভাস্কর্য ভাঙার আন্দোলন হয়নি আর আজ যখন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে দেশের মানুষ ভালো আছে দেশ আজ উন্নতির দিকে দাবিত হচ্ছে ঠিক তখনি ই বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের খেলায় মেতে উঠছে।
তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক ইসলামি রাষ্ট্রে যেমন ভাস্কর্য আছে তেমনি ভাবে বাংলাদেশে ও বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য হবে ইনশাল্লাহ।
বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাচ্ছে। অতিতের যে কোন সময় থেকে আওয়ামী লীগ অনেক বেশি শক্তিশালী।
ভোলা জেলা আ”লীগ কার্যালয়ে সোমবার সকাল ১১ টার সময় জেলা আওয়ামী লীগ উদ্যােগে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার প্রতিবাদে এক অনুুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আ” লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ও সাবেক শিল্প-বানিজ্য মন্ত্রী ভোলা সদর আসনের এমপি তোফায়েল আহমেদ ঢাকা থেকে টেলি কনফারেন্সে এ সব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, জিয়া ক্ষমতায় গিয়ে সংবিধান পরিবর্তন করে ধর্মভিত্ততিক রাজনীতি সুযোগ করে দিয়েছিল।
 আর বঙ্গবন্ধু যারা খুন,ধর্ষন,ঘুম,মানুষ হত্যা করেছে তাদেরকে ক্ষমা করে নাই তাদের বিচার করেছে।
জিয়া ক্ষমতায় গিয়ে তাদের কে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে লালন পালন করে তাদের বিভিন্ন ভাবে পুরুস্কৃত করেছে।
বাংলাদেশ আজ বিশ্বের^বুকে মর্যাদাসীন একটি দেশ হিসেবে পরিনত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর স্নেহের তোফায়েল আহমেদ বিজয় দিবসে সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
 এ সময় জেলা আ”লীগ কার্যালয়ে  আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেলা আ” লীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, ভোলা সদর  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ মোশারফ হোসেন মশু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আ’লীগের সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম নকিব, এনামুল হক আরজু, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম,জেলা আ”লীগের ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ জসিম উদ্দিন, সহ দপ্তর সম্পাদক সামসুদ্দিন আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আজিজুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সাফিয়া খাতুন,পৌর আ’লীগ এর সভাপতি নাজিবুল্যাহ নাজু,সাধারন সম্পাদক আলী নেওয়াজ পলাশ, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর আহ্বায়ক আবু ছায়েম,যুগ্ন আহ্বায়ক আবিদুল আলম,মুজাহিদুল ইসলাম তুহিন, কৃষকলীগ মামুন উর রশিদ,মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার পাশা বিপ্লব,তাতীলীগ ফরমান,ছাত্রলীগ তোয়েবুর রহমান, নীলয়, কুতুব,রায়হান,হীমেল, ওমি।
এছাড়া ও এই মানববন্ধনে পৃথক পৃথক ব্যানার নিয়ে ভোলা জেলা আ’লীগ কার্যালয়ের সামনে জেলা আ’লীগের উদ্যােগে জেলা আ’লীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে সদর রোড সহ ভোলা প্রেসক্লাব থেকে নতুন বাজার সমবায় মার্কেট পর্যান্ত মানববন্ধনে  অংশগ্রহন করেন, ৫ হাজার নেতা কর্মী, ব্যবসয়ী সহ সর্ব স্থরের মানুষ ঐক্য বদ্ধ হয়ে উপজেলা আ’লীগ, পৌর আ,জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ, জেলা কৃষকলীগ, তাতীলী,জেলা ছাত্রলীগ, সহ ১৩ ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি -সম্পাদক, ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দরা সহ সকল ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।