ভোলার ইলিশায় এ কেমন শত্রুতা?

ভোলা সদর উপজেলার ২নং ইলিশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চর আনন্দ গ্রামে লাউ চাষীদের দুইশতাধিক লাউ ও কুমড়ো গাছ কেটে উজার করেছে দৃর্বত্তরা। বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে।
এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় লাউ চাষী ভুট্টু সর্দার ও দুলাল পাটোয়ারীর প্রায় দুইশতধিক লাউ ও কুমড়ো গাছ ঝাঁকার উপরেই রয়েছে ঠিকই তবে গাছ গুলোর গোড়া কেটে দিয়েছে দৃর্বত্তরা। লাউ ও কুমড়া গাছ কাটার বিষয়ে চাষি ভুট্টু সর্দারের স্ত্রী রাজাপুর সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার নাসরিন আক্তার জানান এই চরে একটি বিরান এলাকা এখানে আমরা ১২ গন্ডা অর্থাৎ ৯৬ শতাংশ জমিতে লাউ ও কুমড়ো চাষ করেছি, এখনো লাউ একবারও কাটতে পারিনাই প্রায় দুই হাজারের ও বেশি পরিমানের লাউ আগামী এক সপ্তাহ পরে কাটা সম্ভব হতো। নাসরিন আরো জানান ৯৬ শতাংশ জমিতে চাষ করতে আমার প্রায় একলক্ষ টাকা খরচ হয়েছে কিন্ত দৃর্বত্তরা রাতের আঁধারে আমার ফলসহ গাছগুলো কেটে দুইলক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করেছে। কে বা কাহারা গাছ কাটার সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারে? এমন প্রশ্নে নাসরিন আক্তার জানান তাজল সর্দার ও বাবুল হাওলাদার দুজন মিলে কাজল জমাদারের নির্দেশে আমাদের গাছগুলো কেটে শত্রুতা উদ্ধার করেছে। অপর এক লাউ চাষী সফুর স্ত্রী জানান গতকাল দুপুরে লাউগাছ নিয়ে বাবুল হাওলাদার ও তাজল সর্দার আমাদের সাথে ঝগড়া করেছে এবং রাতে তারা দুজনেই আমাদের লাউ গাছগুলো কেটে ফেলেছে বলে অভিযোগ তোলেন।
অভিযুক্ত কাজল জমাদার ও তাজুল সর্দার জানান, আমাদের সাথে তাদের বিরোধ চলে আসছে, সেই শক্রতা উদ্ধার করার জন্য এমন মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
এ বিষয়ে ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ফরিদ উদ্দিন জানান, চাষীদের পক্ষ থেকে মুঠোফোনে আমাদের এ এস আই সুজনকে জানিয়েছে তবে কোন অভিযোগ করা হয়নি, আমরা অভিযোগ পেলে আমার সিনিয়রের নির্দেশে মতে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করবো।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।