সর্বশেষঃ

বাংলার দুর্ভিক্ষ

মোঃ মহিউদ্দিন

 

স্বাধীনতার দুই বছর পর
দেশে বৃষ্টি না হওয়ায়,
আউশ ও আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বাকি যা হয় তা ১৯৭৪ এর বন্যায়
সে বছর এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত
ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়,
নদ -নদীও ব্যাপক বিধ্বংসী হয়ে যায়
ফলে বন্যা দেখা দেয়।
মধ্য আগস্টেই তা ভয়ঙ্কর রূপ নেয়,
গ্রীষ্মকালীন ফসলের ৮০% ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কৃষকের শীতকালীন ফসল ভেস্তে যায়।
১৯৭৪ সালের বন্যায়২৭ লক্ষ
শ্রমজীবী গৃহহীন হয়।
দেশে থাকা খাদ্য সামগ্রী
উৎপাদন না হওয়ায়,
নিত্যপণ্য সাধারণ মানুষের
ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায়।
বিশেষ করে চালের দাম বেড়ে যায়।
লবণের সরবরাহ একেবারে কমে যায়।
১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত,
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যর
দাম বাড়তেই থাকে হয়নি ক্ষান্ত।
ফলে ১৯৭৪ সালে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়,
পথে-ঘাটে কঙ্কালসার মানুষ
ও মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
গায়ের কাপড় পর্যন্ত বিক্রি করে দেয়
অভাবের তাড়নায়,
কেউ কেউ অনাহারে অভাবের তাড়নায়
আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
বহু মানুষ অনাহারে
পুষ্টি জনিত রোগে মারা যায়।
বহু কৃষক তাদের মজুদকৃত শস্য
বিক্রি করতে বাধ্য হয়।
খাদ্যের সন্ধানে মানুষ শহরে পথে পাড়ি জমায়,
নভেম্বর মাসে বিদেশি সাহায্য সহ
রবি শস্য বাজারে আসে
ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

আরও পড়ুন

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।