কাঁচকলার ঔষধি গুনাগুন

মোঃ মহিউদ্দিন
প্রভাষক

ভোলা ইসলামিয়া ইউনানী মেডিকেল কলেজ

 

কাঁচকলা যেমন সুস্বাদু
তেমনি এর পুষ্টি ঔষধী গুণে ভরপুর,
কাঁচকলা সবজি হিসেবে
সবচেয়ে বেশি কদর।
প্রিয় ফল কলা খেতে পছন্দ সবার।
মূলত পাকা কলা ফল
হিসেবে সকলেই খায়,
কাঁচকলা সবজি হিসেবে
রান্না করা হয়।
যদি দেহের ওজন কমাতে চান,
তাহলে খাদ্য তালিকায় কাঁচকলা রাখুন।
কাঁচকলায় থাকা ফাইবার অনেকটা
সময় পেট ভরিয়ে রাখে,
এটি আঁশযুক্ত হওয়ায়
তা আবার অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে থাকে।
টাইপ টু ডায়াবেটিস
যদি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান,
তাহলে আঁশযুক্ত কাঁচকলা
নিয়মিত খাবেন।
কাঁচ কলাতে প্রচুর পরিমাণে
পটাশিয়াম থাকায়,
হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।
খারাপ ব্যাকটেরিয়ার অনুপ্রবেশে
যদি পেট খারাপ হয়,
কাঁচ কলা রান্না করে খেলে তা দ্রুত সারায়।
কাঁচকলায় অত্যাবশ্যকীয়
খনিজ উপাদান থাকায়,
ভিটামিন বি সিক্স এনজাইম
ভাঙতে শক্তি যোগায়।
এই কারণে বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধি পায়,
কাঁচকলা দেহের ইলেকট্রোলাইটের
ভারসাম্য বজায় রাখে,
তাই কিডনির কাজে সহায়তা হয়
কিডনি ভালো থাকে।
কাঁচকলায় শর্ট চেইন ফ্যাটি এসিড
পুষ্টি শোষণের সহায়তা হয়,
এর বিশেষ কারণে ক্যালসিয়ামের শোষণ বাড়ায়। নিয়মিত কাঁচ কলা খেলে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি হয়,
দেহের ক্ষতিকর টক্সিন বেরিয়ে গিয়ে
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
কাঁচকলা নিয়মিত খেলে
শরীরের ব্লাড ভেসেলস কর্মক্ষমতাকে
বাড়িয়ে তোলে,
শিরা-উপশিরার ভেতরের
প্রেসার কমিয়ে ফেলে,
ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিতভাবে চলে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।