জনগণের খেদমত করে যাচ্ছেন দৌলতখান হাজীপুরের চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান টিপু

ভোলা জেলার দৌলতখান সদর উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত হাজীপুর ইউনিয়ন, এই ইউনিয়নে প্রায় ২০/২৫ হাজার লোকের বসবাস। তবে এখানকার প্রতিটি ইউনিয়নের বেশ সুনাম থাকলেও হাজীপুর ইউনিয়নটি সকলের কাছে একটি উল্লেখযোগ্য যার অনেকটা সুনামও রয়েছে অন্যান্য সকল ইউনিয়নের জনগণের কাছে। আর এই সুনামটি অর্জি হয়েছে বর্তমান দৌলতখান উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দৌলতখান উপজেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হামিদুর রহমান (টিপু) জন্য। যিনি ভোলা জেলার আধুনিক দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনের রুপকার সকল মানুষের নয়নের মনি এবং গৌরব ও অহংকারের প্রতীক দুই বারের সফল এবং জনপ্রিয় মাননীয় সংসদ সদস্য ১১৬ ভোলা (২) আলহাজ্ব আলী আজম মুকুলের সানিধ্য ও ভালবাসা পেয়ে জীবনে প্রথমবার চেয়ারম্যান হয়েই ইতোমধ্যে জনগণের আস্তা ভাজন ও জনগণের মনের মণি কোঠায় যায়গা করে নিয়েছেন। যার ফলশ্রুতিতে ভোলা জেলায় দৌলতখান উপজেলার ০৯টি ইউনিয়নের মধ্যে হাজীপুর ইউনিয়নটি ইতোমধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে।
আর তাই এখন দৌলখান উপজেলায় এই ইউনিয়নটিকে একডাকে সবাই জানে এবং চিনে। তবে দুর্ভাগ্য হলে ও সত্য হাজীপুর ইউনিয়নে বিগত চেয়ারম্যানদের আমলে তেমন কোন উন্নয়ন মূলক কাজ হয় নাই বললেই চলে যা, তিনি অতি অল্প সময়ে করতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে করোনা ভাইরাসের মহামারিতে দেশের বিভিন্ন যায়গার চেয়ারম্যান, মেম্বার, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদের, নামে যেভাবে দূর্নীতি ও চাল চুরির অভিযোগ শোনা যায়। সেই জ্রায়গায় তিনি সরকারের সকল ত্রাণ তার নিজ হাতে সকল মেম্বারদের মাঝে সঠিক ভাবে বন্টণ করে দিয়ে দলমত নির্বিশেষে সকল গরীব, এতিম, অসহায়, দুস্তদের মাঝে সঠিক ভাবে বন্টন করে দেওয়ার জন্য আহব্বান জানান। আবার মেম্বাররা তা সঠিক ভাবে বিতরণ করল কিনা গোপনে তারও খোঁজ খবর নিয়েছেন।
শুধু তাই নয়, এই মহামারীতে তিনি নিজে ব্যক্তিগত ভাবে প্রথম ধাপে (১০০) পরিবারের মাঝে ২কেজি আলু, ১ কেজি সোয়াবিন, ২ কেজি পেঁয়াইজ, ১৫ কেজি চাল ও একটি করে সাবান বিতরণ করেন। দ্বিতীয় ধাপে আবার (২০০) পরিবারের মাঝে একই সামগ্রী সাথে লবন ১ কেজি সহ নিজ হাতে বিতরণ করেণ।
এছাড়াও ৮৬ জন হোটেল কর্মী, ৬৮ জন সেলুন, ৭৮ জন টেইলার্স, ৩৭ জন আলফা চালক, ১৩ জন মাহেন্দ্রা চালক, ৩৮ জন ফল ব্যাবসায়ী, ১৯ জন মুচি, ২৮ জন লেবার, ও ২০ জন ধোপাকে নিজস্ব তহবিল থেকে সাহায্য দেন।
সাংবাদিকরা তার কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যারা এতিম ও অসহায়দের মাল চুরি করে খাবে স্বয়ং আল্লাহপাক অতি শিগ্রহী তাদের উপর গজব নাজিল করবে মাষ্ট। আল্লাহ আমাকে জীবনে যেন এই হারাম না খাওয়ায়। এতিমদের এই হারাম খাওয়ার জন্য আল্লাহ আমাকে চেয়ারম্যান বানায়নি। এটা কোন সভ্য মানুষের আচরণ হতে পারে না। ওরা পশু জানোয়ারের চেয়েও খারাপ। আল্লাহ আমাকে সামর্থ দিয়েছে দোয়া করবেন আমি যেন মরণ পযর্ন্ত দিন-রাত আমার এই ইউনিয়নের জনগণের পাশে থেকে এভাবেই তাদের সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে পারি।
জনগণ হল আমার প্রাণ, ওনারা আমাকে ভোট দিয়েছে বলে আল্লাহ আমাকে এই চেয়ারম্যান ইউনিয়নের বানিয়েছে। তাই ওনাদের সুখ আমার সুখ, ওনাদের দুঃখতো আমার দুঃখ। যতক্ষণ এই দেহে প্রাণ আছে আমি এভাবেই আমার এই ইউনিয়ন বাসীর খেদমত করে যেতে চাই। আমার সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধার একমাত্র গুরু বোরহানউদ্দিন ও দৌলতকান-২ আসনের মাননীয় এমপি আলহাজ্ব মোঃ আলী আজম মুকুল আধুনিক দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনের এর রুপকার, দৌলতখানের মানুষের তারুণ্যের প্রতীক, দৌলতখানের দুই বারের সফল এমপি দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন মানুষের নয়নের মনি আলহাজ্ব মোঃ আলী আজম মুকুল অবহেলিত দৌলতখাকে যেইভাবে আধুনিক দৌলতখান এ রুপান্তরিত করেছেন তার আর্শীবাদ ও বিশ্বাস আমার উপর ছিল বলে আমি অতি অল্প মসয় হলেও তারই ধারাবাহিক দৌলতখানের ০৯টি ইউনিয়নের মধ্যে দৌলতখানের প্রাণ কেন্দ্রে থাকা হাজীপুর ইউনিয়ন থেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দূনীতি, ইভটিজার, মাদকাসক্ত, চুরি, ডাকাতী, রাহাজানী, বাল্যবিবাহের মত বড় বড় অপরাধগুলো আলী আজম মুকুল ভাইয়ের মত নিজ হাতে অনেকটা দমন করে ইতোমধ্যে দৌলতখানে বেশ আলোরণ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি।
এলাকার ড্রেন, কালর্ভাট, পুল, ছোট ব্রীজ, রাস্তাঘাট মেরামত স্কুলের সংস্কার টিউবয়েল, কাঁচা রাস্তা পাকা করণ সহ বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, পঙ্গু ভাতা, নিজ হাতে সঠিক ভাবে প্রদান করে করেছি বলেই এই মাত্র তিন বছরে আমি হাজীপুর ইউনিয়নের জনগণের মনে আতি অল্প সময় হলেও জায়গা করে নিতে পেরেছি বলে আমার বিশ্বাস। এভাবেই যেন আমরণ আমি আমার পুরো হাজীপুর বাসীর খেদমত করে যেতে পরি। আমি এও জানি জনগণের কাজ করলে তারা খুশি হয়ে প্রতিবার সেচ্ছায় আমাকেই তাদের প্রতিনিধি বানাবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।