ভোলায় পেয়াজের বাম্পার ফলন

মানুষ যখন পেয়াজের ঝাঁজে দিশেহারা, উৎপাদন নাই, আমদানি নাই, মজুদকারীরা লালে লাল, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে দিশেহারা ঠিক তখনি চ্যালেঞ্জের মুখে পিয়াজ উৎপাদনে যান ভোলা জেলার সবচেয়ে মাল্টিপল খামার সবুজ বাংলা এগ্রিকালচার। এই খামারে কি নেই, মাছ, গরু, মহিশ, ফল, তরকারি, ধানসহ সকল শীতকালীন ফসল।

৬.৫০ একর জমিতে সবুজ বাংলা এগ্রিকালচার লাল তীর হাইব্রিড (উচ্চ ফলনজাত) পেয়াজ চাষ করেন। এতে সব মিলিয়ে প্রায় ১০০০ মনে’র মতো ফলন উৎপাদন হয়েছে।

খামারের স্বত্বাধিকারী বাপ্তা ইউপি চেয়ারম্যান ইয়ানুর রহমান বিপ্লব মোল্লা বলেন, অত্যন্ত ভালো জাতের লাল তীর হাইব্রিড (উচ্চ ফলনজাত) বীজ এনে রোপন করেছি, এক এক পিজ সর্বনিন্ম ৪০ গ্রাম থেকে ৮০ গ্রাম পর্যন্ত হইছে। তিনি বলেন একর প্রতি প্রায় ১২০০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ আমার যথেষ্ট ফলন হয়েছে।
এক পর্যায়ে তিনি বলেন, আমি চাই ভোলার খামারীরা বিভিন্ন তরিতরকারি, ফসল, ফলমুল উৎপাদনে আসুক, তাতে ভোলার স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে আমরা অন্য জেলায় বিক্রি করতে পারবো।

ভোলা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন বলেন, বিপ্লব মোল্লার সবুজ বাংলা এগ্রিকালচারে চাহিদার চেয়েও ভালো পেয়াজ উৎপাদন হয়েছে, লাভও ভালো হবে, আমি চাই বিপ্লবে’র মত খামারিরা এগিয়ে আসলে আমরা সলক ধরনের সহযোগিতা করবো।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।