ঝুঁকি বাড়াচ্ছে পরিত্যক্ত মাস্ক-গ্লাভস

সারাবিশ্বের করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যে সুরক্ষায় ব্যবহূত পরিত্যক্ত মাস্ক আর গ্লাভসের ছড়াছড়ি রাজধানীজুড়ে। নগরের অলিগলিতে এখন এসব ব্যবহূত সুরক্ষা জিনিস পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এতে ভয়ানক ছোঁয়াচে করোনা নিয়ে আরও আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে নগরবাসীর মধ্যে। ব্যবহূত এসব জিনিস থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁঁকি বাড়ছে বলে শঙ্কা তৈরি করছে তাদের মধ্যে।

ব্যবহৃত এসব মাস্ক আর গ্লাভস যত্রতত্র ফেলে দেওয়ার কারণে করোনার প্রকট আরও বাড়তে পারে। অলিগলি কিংবা প্রধান রাস্তায় পড়ে থাকা এসব স্যানিটাইজারে করোনার জীবাণু থাকলে তা অন্য যে কাউকে সংক্রমিত করতে পারে। রাস্তা দিয়ে চলাচলকৃত পথচারী, হকার, এমনকি পথশিশুদের জন্য চরম হুমকি সৃষ্টি করছে এসব। করোনার আতঙ্কে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিয়মিত রাস্তা ঝাড়ূ না দেওয়ার কারণে এসব গ্লাভস দিনের পর দিন পড়ে থাকছে। এর মধ্যে কোনো জীবাণু থাকলে তা পুরো পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। চলার পথে এসব জিনিস অন্যদের হাতে-পায়ে লাগতে পারে; বাতাসে ছড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মাস্ক, গ্লাভসসহ অন্যান্য সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহারের পর তা সতর্কতার সঙ্গে ময়লার ঝুড়িতে ফেলতে বলা হলেও তা মানছেন না অনেকেই। গতকাল শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টন, পুরানা পল্টন, মগবাজার, সেগুনবাগিচা এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাতে ব্যবহূত গ্লাভস পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, করোনাভাইরাস বিভিন্ন জিনিসের মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদে সক্রিয় বা জীবিত থাকতে পারে। এখন করোনাভাইরাস প্রতিরোধের মধ্যে যদি কেউ তার ব্যবহূত গ্লাভস কিংবা মাস্ক বা অন্যকিছু যত্রতত্র ফেলে দেন, যদি ফেলে দেওয়া ব্যক্তির শরীরে করোনার উপস্থিতি থাকে, তাহলে ওই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অন্য কেউ এসবের সংস্পর্শে এলে তিনিও করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। শুধু করোনার জন্য নয়, এসব দ্রব্য কখনোই যেখানে সেখানে ফেলা উচিত নয়। এতে পরিবেশগত সমস্যাও হয়।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।