তজুমদ্দিনে করোনা আক্রান্তদের সেবা দিতে আইসোলেশন ছাড়া নেই কোন সরঞ্জামাদি

ভোলার তজুমদ্দিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নোভেল করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তদের সেবা দিতে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক প্রস্তুত রাখা হয়েছে পাঁচশয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন ইউনিট। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সেবা দিতে ডাক্তারদের জন্য নেই পার্সনাল প্রটেকশন ইকুপমেন্ট (পি.পি.ই) পোষাক। ফলে এ উপজেলার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ডাক্তাররাও রয়েছেন করোনা আতঙ্কের মধ্যে।
হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, নোভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) যেহেতু আমাদের দেশীয় রোগ নয়। এটি বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের থেকে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সেহেতু গতকাল ২০মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে তজুমদ্দিনে আসা ১২৫ জন বিদেশীর মধ্যে মাত্র ৩২ জনকে সনাক্ত করতে পেরেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বাকিরা কোথায় আছেন তাদের সম্পর্কে কোন তথ্য নেই উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে। সনাক্ত করা ৩২ জনকে রাখা হয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে। স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক সাধারণ মানুষকে করোনা সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষে সচেতনামূলক লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ কবির সোহেল বলেন, যেহেতু নোভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাব দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে তাই আতঙ্কিত না হয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে। আমাদের হাসপাতালে পার্সনাল প্রটেকশন ইকুপমেন্ট (পি.পি.ই) না থাকলেও আমরা জীবনের ঝুঁিক নিয়ে সাধারণ মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, সাধারণ সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বর, শরীর ব্যথা, হাঁচি ইত্যাদি উপসর্গ যদি হয় তাহলে হাসপাতালে না এসে বাড়িতে বসে হাসপাতালের সরকারী ০১৭৩০৩২৪৪২২ নম্বরে যোগাযোগ করলে তারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিবেন বলেও জানান। এছাড়া বিভিন্ন দেশ থেকে তজুমদ্দিনে আসা ১২৫ জন বিদেশীর মধ্যে মাত্র ৩২ জনকে সনাক্ত করতে পেরেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।