ইউপি নির্বাচন পরবর্তী হামলার অভিযোগ মামলা নেয়নি থানায়

চরফ্যাশন উপজেলার অাহাম্মদপুর ইউনিয়ন নির্বাচনে জাল ভোট দিতে না পারাকে কেন্দ্র করে আনারস মার্কা প্রার্থীর সমর্থকরা নৌকা মার্কা প্রার্থীর সমর্থকদের উপর হামলা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার (১জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আহাম্মদপুর শুকনাখালী বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানান অভিযোগকারি মোঃ গিয়াস উদ্দিন। এসময় গিয়াস উদ্দিনসহ আনোয়ার ও আফজাল নামের ৩জন আহত হয় বলে জানা যায়। অভিযোগকারি গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি নির্বাচনের দিন ৩০ ডিসেম্বর সোমবার ৯ নং ওয়ার্ড কেন্দ্রে আনোয়ার ও আফজালসহ নৌকা মার্কার এজেন্ট ছিলাম নির্বাচন চলাকালীন সময়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল বাসার (বাসু) চাপরাশির বেয়াই মোস্তফা মেম্বার সহ অনেকে জাল ভোট দেওয়ার শুরু করলে আমরা বাঁধা দেই ও প্রিজাইডিং অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করি।

পরে ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জাল ভোট প্রদান চেষ্টার জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের পুলিশে দেয়।

এঘটনার ক্ষোভে নির্বাচন পরবর্তী আনারস মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী বাসু চাপরাশির বেয়াই ও সমর্থক মোস্তফা মেম্বারসহ সাজাহান, রফিক, রতন, সবুজ, বাবুল, সিরাজ সহ অজ্ঞাত আরোও ৪০/৫০ জন মিলে গতকাল আমাদেরকে আমার ভাতিজার ফার্মেসির সামনে পিটিয়ে গুরুতর অাহত করে। এসময় আমাদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে এবং আমাদের স্বজনরা দুলার হাট থানার পুলিশকে তাৎক্ষনিক বিষয়টি জানিয়ে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় আমাদের পরিবারের সদস্যরা গতকাল রাতে থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। এবং তারা কালক্ষেপণ করছে। এবিষয়ে আহাম্মদপুরের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মোঃ ফকরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, গিয়াস উদ্দিন ৯ নং ওয়ার্ড আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক, প্রতিপক্ষ গ্রুপের লোকজন জাল ভোট দিতে না পাড়ায় তাকেসহ আমার কর্মি সমর্থক আফজাল ও আনোয়ারকে বাজারে প্রকাশ্যে এই সন্ত্রাসী বাহিনী মারধর করে গুরুতর আহত করেছে। এবং তার চাপরাশির ছেলে মুরাদ ফেসবুকে ও প্রকাশ্যে আমার সমর্থকদেরকে বিভিন্ন হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সঠিক বিচার চাই। এবিষয়ে জানতে আবুল বাসার চাপরাশিকে ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দুলারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, এ ঘটনায় তদন্ত প্রক্রিয়াধীন আছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে যথাপূর্ব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।