ভোলার মেঘনা নদীতে জালফেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত-১ ॥ প্রধান আসামি পুলিশের হাত থেকে পলায়ন

ভোলার সদর উপজেলার জংশন (বিশ্ব রোড) এলাকার মেঘনা নদীতে জাল পাতা (খেও লওয়া) নিয়ে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ১ জন নিহত হয়েছেন। নিহত মোঃ আবুল বাশার (৩৫) দক্ষিণ রাজাপুর ৪নং ওয়ার্ডের কালু মাঝি ছেলে। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতের দিকে ভোলা ইলিশা জংশন এলাকায় মেঘনা নদীতে জাল পাতা নিয়ে জেলে আবুল বাশার গ্রুপ ও মাকসুদ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের ৪/৫ জন আহত হয়। এ সময় স্থানীয় জেলেরা তাদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে রোববার দুপুরের দিকে বাশারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোর রাতে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জান্নাত বেগম বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। সেই মামলায় তোফায়েল ও তার ছেলে মাকসুদ নামে দুই আসামিকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আসামীদের বাড়ি পূর্ব ইলিশা চর আনন্দ ৬নং ওয়ার্ডে। গ্রেফতারের পর আদালতে পাঠানোর সময় পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে যান হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাকসুদ। সোমবার দুপুরে ভোলার বাপ্তার হাজিরহাট এলাকায় পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান তিনি।
ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, একটি হত্যা মামলায় সোমবার সকালে মাকসুদকে ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই সুজন গ্রেফতার করেন। দুপুরের দিকে ওই তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ এসআই রতন কুমার শীল আদালতে পাঠানোর উদ্দেশে মাকসুদকে নিয়ে ভোলা সদরে আসছিলেন। পথিমধ্যে হাজিরহাট এলাকায় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা সেখানে দাঁড়িয়ে পড়েন। এ সময় মাকসুদ পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, পালিয়ে যাওয়া আসামিকে আটকের জন্য সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।