আফগানদের কাছে বাংলাদেশের হার

বাংলাদেশকে ২৫ রানের ব্যবধানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টিতে নতুন ইতিহাস গড়ল আফগানিস্তান। টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে প্রথম দল হিসেবে টানা ১২টি ম্যাচে জয় পেল রশিদ খানরা।

এর আগে ২০১৬-১৭ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ওমান, আরব আমিরাত ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিল আফগানিস্তান।

টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে বরাবরই অসাধারণ তারা। এ পর্যন্ত ৭৩ ম্যাচ খেলে ৫১টিতে জয় পেয়েছে আফগানিস্তান।

রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে আফগানিস্তান। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে যায় তারা। স্কোর বোর্ডে ৪০ রান যোগ করতেই নেই টপঅর্ডারের ৪ উইকেট।

পাওয়ার প্লেতে ৬ ওভারে ৪১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কোনঠাসা হয়ে পড়া আফগানিস্তান প্রথম ১০ ওভারে সংগ্রহ করে চার উইকেটে ৬০ রান।

এরপর আসগর আফগানের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে ৭৯ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ নবী। তাদের এই জুটিতেই বড় সংগ্রহের পুঁজি পায় রশিদ খানের নেতৃত্বাধীন এ দলটি। নবীর অনবদ্য ব্যাটিংয়ে শেষ ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রান তুলতে সক্ষম হয় আফগানিস্তান।

টাইগার বোলারদের তুলোধুনো করে ৫৪ বলে ৭টি ছক্কা ও তিনটি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৮৪ রান করেন মোহাম্মদ নবী। এ ছাড়া ৩৭ বলে ৪০ রান করেন আসগর আফগান।

বাংলাদেশ দলের হয়ে ৪ ওভারে ৩৩ রানে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন সাইফউদ্দিন। ৪ ওভারে ১৮ রানে ২ উইকেট শিকার করেন সাকিব।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৬৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার লিটন কুমার দাস। দলীয় ১১ রানে ফেরেন মুশফিক।

১.৫ ওভারে দুই ওপেনারের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাওয়া দলকে খেলায় ফেরানোর আগেই সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। আগের ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১ রান করা সাকিব আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি।

সাকিবের বিদায়ের পর পাঁচ নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমেই মুজিব উর রহমানের স্পিনে বিভ্রান্ত সৌম্য সরকার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাত্র ৪ রান করা জাতীয় দলের এ ওপেনার আফগানদের বিপক্ষে পান গোল্ডেন ডাক।

৩২ রানে ৪ ব্যাটসম্যানের বিদায়ের পর দলকে খেলায় ফেরাতে চেষ্টা করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাব্বির রহমান রুম্ম। পঞ্চম উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়েন তারা। এরপর ৫ রানের ব্যবধানে ফেরেন রিয়াদ-সাব্বির।

৩৯ বলে পাঁচটি চারের সাহায্যে ৪৪ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ২৭ বলে ২৪ রান করে ফেরেন সাব্বির। শেষদিকে আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসনে সৈকত আর মোস্তাফিজরা রানের ব্যবধান কিছুটা কমালেও দলের পরাজয় এড়াতে পারেননি।

ফেসবুকে লাইক দিন

আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।